Sharing is caring!


নাচোল প্রতিনিধি \ নাচোলে পাগলপ্রায় চাচাতভাই এর সম্পত্তি (বসতভিটা) আত্ম¯^াতের জন্য তার স্ত্রী-পুত্র-কন্যাকে শারিরিক, মানসিক ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দেবর ও দেবরপুত্র আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে নাচোল থানা পুলিশ। মামলার এজাহারসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নাচোল ইউপির পীরপুর গ্রামের পাগলপ্রায় আব্দুল মজিদ(৪০)এর বসতভিটাটি তার চাচতভাই ও ভাতিজারা আত্মসাৎ করার জন্য আব্দুল মজিদের স্ত্রী সোনাভান বেগমকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন করে আসছিল। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ্য হয়ে ওই বসতভিটা একই গ্রামের জনৈক আইজুদ্দিনের নিকট ৭ লক্ষ টাকায় বিক্রী করে অন্যত্র বসত কেনার সিদ্ধান্ত নেন। বসতভিটার বায়নার ৪লাখ টাকার মধ্যে ২লাখ টাকা আকরাম আলীর ছেলে চাচাত দেবর খাইরুল ইসলাম(৪৮), মাইদুল ইসলাম(৩৫) ও তোতা মিয়া(৩২),এবং খাইরুল ইসলামের ছেলে মিনহাজুল ইসরাম(২৮) ও সেরাজুল ইসলাম(২৫) গত ১২মে বেলা ৩টার দিকে সোনাভান বেগমকে কৌশলে ঘরের ভিতর মুখ বেঁধে ২লাখ টাকার জন্য হত্যার হুমকি দিয়ে মারধোর করতে থাকলে ছেলে পলাশ(১৬) ও মেয়ে লিমা(১৪) মাকে বাঁচাতে আসলে আসামীরা বাদেরকেও মারতে থাকে এবং একপর্যায়ে কন্যা লিমার পরনের বস্ত্র ছিড়ে ফেলে। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আসামীরা পাগল আব্দুল মজিদের চিকিৎসার জন্য সোনভানকে রাজি করানোর কথা বলে পালিয়ে যায়। ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় গ্রাম্য শালিশদারগণ মিমাংশা করার কথা বলে কালক্ষেপণ করে মিটমাট করার চেষ্টা করেন। সোনভান আসামীদের টাকা না দিলে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিলে গত ১৫ মে নাচোল থানায় এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করে সোনাভান। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৩ মে রাতে আকরাম আলীর ছেলে খাইরুল ও তোতা মিয়া এবং কাইরুলের ছেলে সেরাজুলকে আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে নাচোল থানা পুলিশ। বাকি আসমীরা অসহায় সোনভানকে মামলা প্রত্যাহার করতে নানভাবে চাপ এমনকি হুমকিও দিয়ে আসছে বলে সোনাভান এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দিয়ে অসহায় নারীকে আইনের সহযোগিতা দিতে পুলিশ প্রশাসনের আহŸান জানিয়েছেন অসহায় সোনভান।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *