Sharing is caring!

নাচোল সংবাদদাতা \ “নাচোলে গরু চুরীর হিড়িক” শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর জেলার নাচোলেৃ পুলিশের নজরদারি বাড়লেও বন্ধ হয়নি গরু চুরি। প্রায় প্রতিদিনই উপজেলার কোনো না কোনো স্থানে গরু চুরির ঘটনা ঘটছেই। এদিকে গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী। তারা রাতের ঘুম হারাম করে পাহারা দিচ্ছেন। জানা গেছে, গত বুধবার রাতে নাচোল থানার সন্নিকটে চেয়ারম্যান পাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক তামিজুল হকের গোয়ালঘর থেকে তালা ভেঙে ৩টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে নাচোল উপজেলার আজিপুর গ্রাম থেকে আজিজুর রহমানের ছেলে আব্দুল খালেকের ৫টি, ঝিকড়া গ্রাম থেকে সাইদুর রহমানের ৪টি, ভাতসা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে সেকেন্দার আলীর ২টি গরু এবং বিশালপুর গ্রামের খাইরুল ইসলামের ২টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া নাচোল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়মতপুর উপজেলা ফুলহারা গ্রাম থেকে ও মির্জাপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ৪টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওইসব এলাকাবাসীরা জানিয়েছে, প্রায় প্রতি রাতে চোরেরা মিনি ট্রাক, ভুটভুটি, নছিমন গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন গ্রামে গোয়ালঘরের সিদ কেটে গরু চুরি করে দ্রুত দেশের বিভিন্নস্থানে নিয়ে চলে যাচ্ছে। সম্প্রতি ভুজইল, ঝিকড়া ও আজিপুর গ্রামে সিদ কেটে গরু চুরির করার সময় টের পেলে গ্রামবাসী হইচই শুরু করলে চোরেরা দ্রুত পিকআপ ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। গরু চুরির ঘটনার পর থেকে নাচোল থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে টহল জোরদার করলেও গরু চুরি থামছে না। পুলিশের নজরদারির মধ্যেই চুরি হয়ে যাচ্ছে গরু। এনিয়ে আতঙ্কে আছে নাচোল উপজেলাবাসী। এবিষয়ে নাচোল থানার ওসি ফাছিরুদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গরু চোরদের ধরতে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেই সঙ্গে কয়েকজন তালিকাভুক্ত চোরকে আটক করার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তারপরও কিছু চুরির ঘটনা ঘটছে। অচিরেই তা বন্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *