Sharing is caring!

নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান বাবু’র ক্ষমতার

দাপট নিরীহ মানুষকে মিথ্যে মামলায়

ফাসানোর অভিযোগ!

♦ নাচোল প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাবু’র বিরুদ্ধে ক্ষমতার দাপট, নিরীহ মানুষকে মিথ্যে ঘটনায় ফাঁসিয়ে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি মামলার বাদী মশিউর রহমানই একটি মামলা ও আসামী সম্পর্কে কিছুই জানেন না, ভাইস চেয়ারম্যান বাবুর আদেশে মামলায় স্বাক্ষর। তথ্যনুসন্ধানে জানাগেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদাবাজির অভিযোগে নাচোল উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান উজ্জল ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সারোয়ার জাহান শুভকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটার্চ ফেসবুকে ভাইরাল হলে নাচোল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাবু ছাত্রলীগ নেতাদের ছাড়িয়ে নিতে থানায় দীর্ঘক্ষণ তদবীর চালান। শেষ তদবীরেও রক্ষা না হলে রেজাউল করিম বাবু ওই রাতে মোবাইল ফোনে নাচোল পৌর এলাকার গুঠইল গ্রামের মৃত আবু সাঈদের ছেলে মশিউর রহমানকে থানায় ডেকে নেন। ওই রাতে মশিউর কয়েকজন অটো চালককে নিয়ে থানায় হাজির হলে তাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেন বাবু, সে বিষয়টি জানতে চাইলে বাবু বলেন, নাচোলে অটো নিয়ে যে ঝামেলা চলছে সে বিষয়ে একটি অভিযোগ হচ্ছে থানায়। মশিউর বিষয়টি সহজ সরল ভেবে সাক্ষর করলেও পরদিন জানতে পারেন তার ভাগিনার নামে ও ভাগিনার চাচাতো ভাইয়ের নামে সে চাঁদা বাজির মামলা করেছেন। এ-খবর জেনে মশিউর হতবাগ হয়ে ভাইস চেয়ারম্যান বাবুর নিকট শুক্রবার যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, চার্জসীটে তার নাম কেটে দেয়া হবে। চাঁদাবাজির মামলায় কাকে কাকে আসামী করা হয়েছে এ ধরনের তথ্য জানানেই মশিউরের। শনিবার বেলা ১১টায় নাচোল মধ্যবাজারের একটি ঘরে স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বিস্তারিত তথ্যদিয়ে মশিউর বলেন, আমি মামলার বাদি হিসেবে থাকতে চাইনা। আমাকে ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাবু ব্লাকমেইল করে নাটকীয় কায়দায় চাদাবাজির মামলার বাদি করিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে মশিউর বলেন, ভাইস চেয়ারম্যানের সার্থ হাসিলের জন্য আমাকে মামলার বাদি করে এধরনের কান্ড করেছেন। রেজাউল করিম বাবু ক্ষমতার দাপটে নাচোল বাসষ্ট্যান্ড এলাকার সাদিকুল ও মশিউরকে বিভিন্ন মামলায় হয়রানী করছেন বলে ভুক্ত ভোগীরা জানান। তারা আরো বলেন, এর প্রতিবাদে নাচোল বাসষ্ট্যান্ড মোড়ে বিশাল একটি মানব বন্ধন হয়েছিলো যা এ যাবৎ কালে কখনও এমন মানব বন্ধন হয়নি। এব্যাপারে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম রেজার সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অফিযোগের ভিত্তিত্বে মামলা করা হয়েছে। তবে তদন্তে মিথ্যে প্রমানিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বাবুর সাথে মুঠোফোনে শনিবার যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ মামলা সমন্ধে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *