Sharing is caring!

স্টাফ রিপোর্টার \ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডলের বিরুদ্ধে পৌর এলাকার দক্ষিণ সাঁকোপাড়া মহল্লার মুসলিম পরিবারের জনৈক গৃহবধুর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডল। গত ৩০ডিসেম্বর শুক্রবার নাচোল থানায় দাখিলকৃত অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ ডিসেম্বর ওই গৃহবধু তার বান্ধবীসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়ন করার জন্য অফিস চলাকালীন সময়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডলের নিকট গেলে ওই কর্মকর্তা কাজের ব্যস্ততা দেখিয়ে তাদেরকে দীর্ঘ সময় অফিসে বসিয়ে রাখেন। এতে করে বিরক্ত হয়ে গৃহবধুর বান্ধবী নিজ বাসায় চলে যান। পরে ওই গৃহবধুকে চা-বিস্কুট দিয়ে আপ্পায়ণ করান এবং খোশগল্পের মধ্য দিয়ে মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডল সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে গৃহবধু অফিস থেকে বের হওয়ার সময় মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডল কৌশলে ওই গৃহবধুর মোবাইল নম্বর চেয়ে নেন। এরপর থেকে মোবাইলে ওই নারীর সাথে একাধিকবার কথোপকথনের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তার বাড়িতে দাওয়াত চেয়ে নেন ওই কর্মকর্তা। অভিযোগে প্রকাশ, গত ২৮ ডিসেম্বর ওই গৃহবধুর স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে ফেরার সময় গৃহবধুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে হাত ধরে হ্যান্ডশেক করার ভান করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করেন মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডল। এঘটনায় ওই গৃহবধু বাদী হয়ে নাচোল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এব্যাপারে মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ওই নারীর আমন্ত্রণে তার বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে বিদায় নেয়ার সময় তার হাত ধরে হ্যান্ডশেক করেছি মাত্র। কিন্তু শ্লীলতাহানীর অভিযোগ এনে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ ফাছির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নাচোল পৌর এলাকার দক্ষিণ সাঁকোপাড়ার জনৈক গৃহবধু এবং মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডলের পক্ষ থেকে পরস্পরের বিরুদ্ধে দু’টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে মৎস্য কর্মকর্তার একাই ওই মহিলার বাড়িতে যাওয়া ঠিক হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *