Sharing is caring!

জেলার নাচোল রেলষ্টেশন মাষ্টার মোঃ আহসান হাবিবের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। প্রথমত, সাধারণ মানুষের কাছে রেলের সেবা পৌছে দেয়ার জন্যই সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও কমিউটার ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু দুর্ণীতিপরায়ন রেলস্টেশন মাস্টারের কারণে সাধারণ মানুষ রেলের সেবা থেকে বঞ্চিত হবে, এটা অবশ্যই দেখা প্রয়োজন। অনিয়মকারী স্টেশন মাস্টার নিজেকে বাঁচাতে উৎকোচের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করেও গণ্যমান্য এবং পদস্থ কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করেও বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। সেবার নামে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালাচ্ছেন নাচোল রেলষ্টেশন মাষ্টার মোঃ আহসান হাবিব। দ্বিতীয়ত সরকারী নিয়মনীতি অমান্য করে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে রেলষ্টেশনের বরাদ্ধকৃত জমিতে অবৈধভাবে জায়গা দখল করতে ভূমিদস্যুদের সহায়তা করা এবং রেলের লাক্ষা (লাহার) গাছ বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়েছেন। যা রীতিমত অন্যায় এবং ক্ষমতার অপব্যবহার। নিজের দায়িত্ব ঠিকমত পালন না করে স্থানীয় দালালদের দিয়ে কাজ চালাল তিনি। এসব অনিয়ম করার পরও দীর্ঘ আট বছর ধরে নাচোল রেলষ্টেশনে দায়িত্বরত থাকায় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এসব অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নাচোল রেলষ্টেশন মাষ্টার মোঃ আহসান হাবিবের অনিয়মের বিষয়টি তদারকি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে এগিয়ে আসবেন কর্তৃপক্ষ এমনটায় আশা করছেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল রেলষ্টেশন মাষ্টার মোঃ আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে উৎকোচের বিনিময়ে রাতের আঁধারে কমিউটার ট্রেনের টিকিট বিক্রি, রেলষ্টেশনের বরাদ্ধকৃত জমিতে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে অবৈধভাবে জায়গা দখল করতে ভূমিদস্যুদের সহায়তা করা ছাড়াও রাতের আঁধারে রেলের লাক্ষা (লাহার) গাছ বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়েছেন। দীর্ঘ আট বছর ধরে নাচোল রেলষ্টেশনের দায়িত্ব পালন করায় টিকিট মাষ্টার হাবিব ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। ঈদে ঘরমুখো সাধারণ যাত্রী নাচোল থেকে রাজশাহী গামী কমিউটার ট্রেনের টিকিট নেওয়ার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা প্লার্টফরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কমিউটার ট্রেনের (নাচোল-রাজশাহী) বরাদ্ধকৃত ২০টি টিকিটই আগেই বিক্রি করে দেয়ায় যাত্রীরা টিকিট পান নি। দালালদের মাধ্যমে ২০০ টাকা করে বেশী নিয়ে রাজশাহীগামী ট্রেনের টিকিট বিক্রি করে দেন। আগেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানানো হয়। রাজশাহী যাওয়ার জন্য টিকিট চাইতে গেলে টিকিট মাষ্টার বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। গত বছর রেলষ্টেশনের জমিতে থাকা ৩টি লক্ষা গাছের দাম প্রায় ১ লক্ষ টাকা হলেও টিকিট মাষ্টার সরকারী ভাবে টেন্ডার না দিয়ে রাতের আঁধারে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে ২০ হাজার টাকা দিয়ে রেলষ্টেশনের এক জনৈক ব্যাক্তির কাছে বিক্রি করেন। টিকিট মাষ্টার প্রায় অফিসে থাকেন না বলেও সাধারন যাত্রীদের অভিযোগ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *