Sharing is caring!

নাটোরে সাংবাদিকদের নিয়ে জেলা নাটাবের মতবিনিময়

♦ স্টাফ রিপোর্টার

নাটোর জেলার স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) নাটোর জেলা শাখা। “যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে” নাটোরের ঢাকা রোডস্থ চকরামপুর গোল্ডেন সিটি থাই চাইনিস রেষ্টুরেন্টে এবছর ১০ মার্চ/২০ মঙ্গলবার এই মতবিনিময় সভা হয়। নাটাবের নাটোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনামুর রহমান চিনু’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নাটোর বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের কনসালটেন্ট ডাঃ আজিরা সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহবুবুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাটাবের রাজশাহী জোনের মাঠ কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। সভায় যক্ষ্মা রোগের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। মতবিনিময় সভায় অংশ নেন নাটোর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাপ্পি লাগড়ী, নাটোর জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারাজী আহমেদ রফিক বাবন, সাংবাদিক রনেন রায়, দিবাশীষ রায়, সামছুর জোহা। আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক নাটোর জেলা ব্যবস্থাপক দুলাল কুমার দাস। বক্তারা, যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে জেলার সাংবাদিকদের বিশেষ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সমাজের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। সামাজিকভাবে সচেতনতার মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব বলেও মতামত ব্যক্ত করেন আলোচকগণ ও নাটাব নেতৃবৃন্দ। যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে জেলার সাংবাদিকগণ লেখনীর মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করে যক্ষèা রোগ থেকে অনেকটায় রক্ষা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা। বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে এই রোগ প্রতিরোধে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। মানুষের সচেতনতায় পারে কঠিন রোগ যক্ষ্মা থেকে সমাজ তথা দেশকে রক্ষা করতে। তাই সমস্যা হলে তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডটস্ এর মাধ্যমে সমাজের প্রতিনিধির তত্বাবধানে যক্ষ্মা রোগীকে সঠিকভাবে ঔষধ খাওয়ানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন চিকিৎসার সেবা নিয়ে ঔষধ সেবন করলে যক্ষ্মা ভালো হয়। নিয়মিত ও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চিকিৎসা না নিলে পরিনতি ভয়াবহ যা এমডিআর রোগীর সংখ্যা বাড়বে বলেও জানান বক্তারা। নাটাব যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের সুস্থ করে তোলার ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক কূসংস্কার, অজ্ঞতা, অবহেলা, অর্থনৈতিক সংকট ও তথ্যের অভাবে যক্ষ্মা রোগীরা চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে চান না, চিকিৎসা নিলেও নিয়মিত ওষুধ সেবন এবং পূর্ণ সময় চিকিৎসাও গ্রহণ করেন না। নাটাব সরবারের ডটস্ কর্মসূচির অংশীদার হিসেবে রোগীদের চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন করে তোলার ব্যাপারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে। বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) এর জন্ম হয় ১৯৪৮ সালে। জন্মলগ্ন থেকেই জনসচেতনার মাধ্যমে দেশব্যাপী যক্ষèা রোগ প্রতিরোধে কাজ করে আসছে বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি নাটাব।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *