Sharing is caring!

পুরনো দ্বন্দ্বের জেরে কুপিয়ে জখম করা হয়

চুয়াডাঙ্গা যুবদল সভাপতি শরিফ-উজ-জামানকে

নিউজ ডেস্ক: ঘটনার তিন দিনের মাথায় চুয়াডাঙ্গা যুবদল সভাপতি শরিফ-উজ-জামানকে কুপিয়ে জখম করার রহস্য উন্মোচিত হলো। অন্তর্কোন্দলের জের ধরে তাকে জখম করেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আশরাফ বিশ্বাস মিল্টুর কর্মীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস।সূত্র বলছে, ১৫ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবদলের সভাপতি শরিফ-উজ-জামান সিজারকে কে বা কারা কুপিয়ে জখম করে। চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকায় তার বাড়ির পাশেই এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরাতে জানা যায়, যুবদল নেতা সিজার বাগানপাড়া এলাকায় বাড়ির পাশে একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই সময়ে মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত এসে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি যুবদলের বর্তমান সভাপতি শরিফ-উজ-জামান সিজারের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে জেলা বিএনপি যুবদলের সহ-সভাপতি আশরাফ বিশ্বাস মিল্টুর দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সুরাহার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। এর ৬ দিনের মাথায় সুযোগ বুঝে হামলা চালালো মিল্টু।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অহিদুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন, গত ৯ ডিসেম্বর সিজার ও মিল্টু ভাইয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্বের মীমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও তাতে কোন সমাধান আসেনি। কিন্তু এর জেরে মিল্টু ভাই যে এভাবে তার উপরে হামলা করবে তা ভাবতে পারিনি। বরাবরই মিল্টু ভাই একটু রগচটা। তিনি চুয়াডাঙ্গা বিএনপির সভাপতির পদে নিজেকে যোগ্য মনে করেন। আর তার জেরেই তিনি সিজার ভাইকে মেনে নিতে পারেন না।

এদিকে চুয়াডাঙ্গা থানার অতিরিক্ত কর্মকর্তার (ওসি) বরাতে জানা যায়, এ ঘটনায় হামলার শিকার নেতার পক্ষ থেকে থানায় প্রাথমিকভাবে মামলা দায়ের করা হলেও অভিযোগপত্রে কারো নাম উল্লেখ করেনি। তবে শোনা যাচ্ছে, হামলাটি চুয়াডাঙ্গা বিএনপির সহ-সভাপতি আশরাফ বিশ্বাস মিল্টুর ইন্ধনেই হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *