Sharing is caring!

বগুড়া-৩ আসনে যুদ্ধাপরাধীর স্ত্রী মাসুদা

মোমেনকে প্রতিহত করবে সচেতন

ভোটাররা

নিউজ ডেস্ক: বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত ও পলাতক বিএনপি নেতা আব্দুল মোমেন তালুকদার খোকার স্ত্রীর মাসুদা মোমেন। বিভিন্ন সূত্রের খবরে জানা যায়, মোমেন তালুকদার পলাতক থাকায় তার আসনে মাসুদা মোমেন নির্বাচন করছেন। তবে একজন যুদ্ধাপরাধীর স্ত্রী হওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাসুদা মোমেনকে প্রতিহত করতে প্রস্তুত ওই আসনের সচেতন ভোটাররা। তারা বলছেন, বগুড়া-৩ আসনের সাধারণ ভোটাররা একজন যুদ্ধাপরাধীর স্ত্রীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় না।বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা যায়, বগুড়া-৩ আসনে শক্তিশালী প্রার্থীর বিরুদ্ধে মাসুদা মোমেন নিছক দুর্বল প্রার্থী হিসেবে সাধারণ ভোটারদের কাছে বিবেচিত হচ্ছেন। এছাড়া উন্নয়নের বিপরীতে একজন যুদ্ধাপরাধীর পরিবারের সদস্যকে ভোট দিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন আসনটির সাধারণ ভোটাররা। তাদের মতে, মাসুদা মোমেনকে ভোট দেয়া মানে পরোক্ষভাবে যুদ্ধাপরাধীদের নতুন জীবন দান করা। এছাড়া মাসুদা মোমেন ঘরকুনো এবং অজনপ্রিয় প্রার্থী হওয়ায় এই আসনে বিএনপির নিশ্চিত পরাজয় ঘটবে বলেও মন্তব্য করেছেন সাধারণ ভোটাররা। তাই ভোট নষ্ট না করে বরং ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে ভোট দেয়াটাই শ্রেয় মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে আদমদীঘি থানা পাড়ার আবদুল বাতেন মিয়া বলেন, মাসুদা মোমেন একজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর স্ত্রী। তিনিও দেশবিরোধী মনোভাব পোষণ করেন- এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া এই আসনে বিএনপি-জামায়াতের অবস্থান খুবই দুর্বল। সুতরাং তাকে ভোট দেয়া মানে ভোট নষ্ট করা বলে আমি মনে করি। এছাড়া মোমেন তালুকদার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে দুই থানায় যে পরিমাণ লুটপাট, চুরি-দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, সেটি কেউ কোনদিন ভুলবে না। মোমেন তালুকদার প্রতিটি কাজে কমিশন নিতেন। তার আমলে এ অঞ্চল সব ধরনের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সুতরাং একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তির স্ত্রীকে কেউ ভোট দেবে না, এটাই স্বাভাবিক। যুদ্ধাপরাধীরা কোনদিন দেশপ্রেমিক হতে পারে না। সুতরাং মাসুদা মোমেনকে ভোট না দেয়ার জন্য আমি দুই থানার ভোটারদের অনুরোধ করছি।

এদিকে সূত্র বলছে, যুদ্ধাপরাধীর স্ত্রী এবং অজনপ্রিয় হওয়ায় বগুড়া-৩ আসনে তার পক্ষে প্রচারণা চালানোর কর্মী নেই বললেই চলে। হাতেগোনা যা আছে তারাও গা-ছাড়া ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু তার পক্ষে জনসমর্থন একেবারে নেই বলেই কর্মীরা প্রচারণা চালানোর স্পৃহা হারিয়েছে বলেও জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *