Sharing is caring!

বাংলাদেশই সেরা,বলছে পাকিস্তানও

দু’দেশের পার্থক্যটা আকাশ-পাতাল। পাকিস্তান যখন ব্যর্থ রাষ্ট্রের কালিমা নিয়ে ধুঁকছে, তখন বাংলাদেশ আছে সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশের তালিকায়। মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ এখন অনুকরণীয়।

শুধু অর্থনীতি ও মানব উন্নয়ন নয়, বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে গেছে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও, যেন মুক্তিযুদ্ধের যৌক্তিকতা ও অপরিহার্যতা বিশ্বকে আবারও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ।  বাংলাদেশকে শোষণ-নিপীড়নে নিষ্পেষিত করতে চেয়েছিল যে পাকিস্তান, বর্তমানে উন্নতির সকল সূচকেই সে পাকিস্তানের চাইতে এগিয়ে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের নাগরিকদের ঘুম ভাঙে বোমা কিংবা গুলির শব্দে। আর বাংলাদেশের মানুষের সকাল হয় প্রিয় স্বদেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের সংবাদ শুনে।

প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়,কৃষিখাত,রফতানি খাতসহ সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানের চেয়ে বেশ এগিয়ে।

দুঃশাসন-জঙ্গীবাদ আর সন্ত্রাসে বিপর্যস্ত-দিশেহারা পাকিস্তানে তাই বাংলাদেশের জয়জয়কার উঠেছে। সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ও বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যে হতভম্ব। তাইতো তারা চাইছেন ‘বাংলাদেশ’ হতে। পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সে দেশের একাধিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিলো।

এবার সেই সুরে সুর মেলালেন খোদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সম্প্রতি তিনি এক অনুষ্ঠানে বলেন, সম্প্রতি তিনি এক অনুষ্ঠানে বলেন, যখন পূর্ব পাকিস্তান  বিভক্ত হলো  তখন পশ্চিম পাকিস্তানের লোকেরা বলতে শুরু করলো পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের কাছে বোঝা স্বরূপ ছিলো, ভালো হয়েছে আলাদা হওয়াতে। তাচ্ছিল্য স্বরে বলা হতো- ‘ওহ! পূর্ব পাকিস্তান!’ -এমন কথা আমি নিজ কানে শুনেছি।

আজ সেই পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ সর্ব ক্ষেত্রে আমাদেরকে (পশ্চিম পাকিস্তান) ছাড়িয়ে গেছে। এটা সম্ভব হয়েছে কারণ সেখানে আজও দূরদর্শী নেতৃত্ব বিদ্যমান আছে এবং বাংলাদেশ একটি সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে।

ইমরান তার বক্তব্যে দূরদর্শী নেতৃত্ব বলতে যে গত দশ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার নেতৃত্বকেই বুঝিয়েছেন তা বলা বাহুল্য, কারণ উন্নতিতে বাংলাদেশের পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যাওয়ার যাত্রাটা যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরেই শুরু হয়েছিলো। ইমরান খানের এ বক্তব্যে তো বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ গর্ব করতেই পারে। জয়তু শেখ হাসিনা, জয়তু বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *