Sharing is caring!

বুড়িগঙ্গা দখলমুক্ত অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ

করতে তৎপর বেনামী মিডিয়া

রাজধানীর আশেপাশে নদী দখলমুক্ত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের এগারতম দিনে ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনের সাময়িক প্রস্থান নিয়ে গুজব ও মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে কিছু বেনামী মিডিয়া ও কুচক্রী মহল।বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা যায়, বুড়িগঙ্গা নদী তীর দখলমুক্ত করার অংশ হিসেবে ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাহসিকতা এবং দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার সাহসিকতায় দখলদাররা পিছু হটলেও নিরাপত্তা এবং পরবর্তী কার্যক্রমের পরিকল্পনার প্রণয়ন করতে বন্দর কর্তৃপক্ষের ডাকে সাড়া দিলে আরিফ উদ্দিনকে নিয়ে মিথ্যাচার ছড়ায় কিছু বেনামী গণমাধ্যম ও কুচক্রী মহল। বেনামী গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে কুচক্রী মহলগুলো গুজব ছড়াচ্ছে যে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে এবং উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাপের মুখে পড়ে সরে যেতে হয় আরিফ উদ্দিনকে। যদিও এটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যাচার এবং গুজব বলে মন্তব্য করেছেন খোদ আরিফ উদ্দিন।

নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক আরিফ উদ্দিন বলেন, আমরা বুড়িগঙ্গা নদীকে সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। অভিযানে দখলদার ও নদী খেকোদের কোন রকম ছাড় দেয়া হবে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশে পরবর্তী উচ্ছেদের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করতে জরুরি বৈঠকে অংশ নেয়ার কারণে আমি সাময়িকভাবে অভিযানে অনুপস্থিত ছিলাম। অথচ আমার এই অনুপস্থিতিকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রচার করে নদী বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে কিছু বেনামী গণমাধ্যম এবং মহল। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, সরকার নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ঢাকা ও আশেপাশের নদী ও খালগুলোকে সম্পূর্ণ দখলমুক্ত না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হব না। তারই অংশ হিসেবে আমি আবারও উচ্ছেদ অভিযানে অংশগ্রহণ করেছি। বেনামী গণমাধ্যমগুলোর ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে আজকে সরকারের ইতিবাচক কাজ ও অর্জনগুলো ম্লান হয়ে যাচ্ছে। আমি গণমাধ্যমগুলোকে হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধ করে সঠিক সংবাদ পরিবেশন করার আহ্বান জানাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *