Sharing is caring!


ভোলাহাট প্রতিনিধি \ ভোলাহাটের জালিয়াত চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে ভোলাহাট থানা পুলিশ। হাইকোর্টের রায় জালিয়াত করা মামলায় গ্রেফতার হয় নেফাউর রহমান। গ্রেফতার নেফাউর রহমান(৪৭) ভোলাহাট উপজেলার বড় জামবাড়ীয়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। মামলার বিবরণ ও বাদি সূত্রে জানা গেছে, জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার হাদিনগর গ্রামের মৃতঃ আব্দুল হকের ছেলে সেরাজুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আদালত পাড়ায় দেন দরবার চলে। এক পর্যায়ে তাদের প¶ে হাইকোর্ট ৯০/২০১৩ নং রিটপিটিশনে আদেশ প্রাপ্ত হন। কিন্তু উপজেলার বড় জামবাড়ীয়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে জালিয়াত চক্রের হোতা নেফাউর রহমান(৪৭) ও শিবগঞ্জ উপজেলার ধুমিহায়াতপুর গ্রামের মৃতঃ সমেশ উদ্দিন মিয়া যোগসাযোস করে ভোলাহাট সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর মিসকেস দায়ের করেন। মিস কেস নং ৮৮/ীররর/১৪-১৫। চলমান মিস কেসের শুনানী ৭ জুন বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার(ভুমি) ফিরোজ হাসান শুনানী পরিচালনা করলে জালিয়াত চক্রের গড ফাদার নেফাউর রহমান মিস কেসের বাদির প¶ে শুনানীতে অংশ নিয়ে তাদের প¶ে হাইকোর্টের জালিয়াত করা রিটপিটিশনের রায়ের জবেদা কপি ও সহকারী কমিশনা(ভূমি)কে ঢাকা কেন্দ্রীয় সেটেলমেন্ট অফিসের উপ-মহাপরিচালক সাজেদুর রহমান ¯^া¶রিত জালিয়াত করা আদেশের কপি উপস্থাপন করা হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাগজ-পত্র যাঁচায় করতে গিয়ে সন্দেহ হয়। ফলে অনলাইনে সত্যতা প্রমাণ করতে গেলে হাইকোর্টের রিটপিটিশন জবেদা কপি ও ঢাকা কেন্দ্রীয় সেটেলমেন্ট অফিসের প্রেরীত চিঠিও জালিয়াত প্রমাণিত হলে তাৎ¶ণিক ভোলাহাট থানা পুলিশে খবর দিয়ে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জালিয়াত নেফাউর রহমানকে সোপর্দ করা হয়। পরে মিসকেসের বিবাদী সেরাজুল ইসলাম উল্লেখিত জালিয়াতদ্বয়ের বিরুদ্ধে বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফিরোজ হাসানের সাথে যোগযোগ করা হলে জালিয়াতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলার বিষয়ে ওসি মহসিন আলী জানান, ২ জনকে আসামী করে থানায় মামলা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামীকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *