Sharing is caring!

MUKTIJOSSA-10-07-2016স্টাফ রিপোর্টার \ ভোলাহাটে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করায় এক মাদক ব্যবসায়ীর হামলার শিকার হয়ে মুক্তিযোদ্ধা হাসিমুদ্দিন ও তার ছেলে স্কুল শি¶ক কাইফুল ইসলাম আহত হয়ে ভোলাহাট ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আহত হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় স্থানীয়দের মনে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। উভয় পরিবারের ছোট ছোট শিশুদের ঝগড়া নিয়ে সৃষ্টি এ ঘটনার কথা পুলিশ বললেও স্থানীয়দের ধারণা, মাদক ব্যবসায়ী আলমের সাথে ভোলাহাট থানা পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকায় মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা করলেও হামলাকারী মাদক ব্যবসায়ী আলমের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনা অন্যদিকে প্রবাহের চেষ্টা চালাচ্ছে। এঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষুদ্ধ ভাষায় জানায়, একজন মুক্তিযোদ্ধা মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াবে হামলাকারী, এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যেখানে হামলার সাথে সাথেই হামলাকারী গ্রেফতার হওয়ার কথা, সেখানে ২দিন পার হলেও পুলিশ আলমকে গ্রেফতার করছেন না। যত দ্রুত সম্ভব এই হামলাকারীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হোক। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার বাহাদুরগঞ্জ গ্রামের জিন্নাতের ছেলে আলম(৩৬) দীর্ঘ দিন ধরে ইয়াবা, হিরোইনসহ অন্যান্য মাদকের ব্যবসা করে আসায় প্রতিবেশী ৭৬ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা লালমোহম্মদের ছেলে হাসিমুদ্দিন ও তার স্কুল শি¶ক ছেলে তাকে মাদক বিক্রয় করতে নিষেধ করেন। ফলে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়ীতে প্রায় সময় ইটপাটকেল ছুঁড়ে ভাংচুর চালায়। ইটপাটকেল ছুঁড়তে মাদক ব্যবসায়ী আলমকে রবিবার বিকেলে নিষেধ করলে হাসুয়া ও কুড়াল দিয়ে আঘাত করলে মুক্তিযোদ্ধা হাসিমুদ্দিন ও তার স্কুল শি¶ক ছেলে কাইফুল ইসলাম (৪০) ও তার আত্মীয় শফিউদ্দিনের ছেলে রিপন (৪২)মারাত্মক আহত হয়। আহত অবস্থায় ভোলাহাট ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের ভর্তি করা হয়। এদিকে, ঘটনা ভিন্নখাতে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র করে মাদক ব্যবসায়ী আলম মাথায় আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি করে ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে বলে একটি সুত্রে জানা গেছে। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎ¶ণিক ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন। ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মহসীন আলী মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উভয় পরিবারের ছোট ছোট শিশুদের মাঝে ঝগড়া নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং ২ পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। মাদক বিক্রির বিষয় নিয়ে ঘটনার সুত্রপাত নয়। মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যেহেতু পারিবারিক ঝগড়ার বিষয়, সেহেতু বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে, অন্যথায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এঘটনায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রতিক্রিয়ায় জানান, মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আহত হওয়ার পর হামলাকারী প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াবে এটা অবশ্যই পুলিশের কাছ থেকে আশা করি না। ভোলাহাট থানা পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরা হবে। হামলাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *