Sharing is caring!

মওদুদ নয়, অর্ধেক বিএনপি চলছে

হাসনা মওদুদের ইশারায়!

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে থাকার মেয়াদ দেড় বছর হতে চললেও তাকে জামিনে মুক্ত করার ব্যাপারে কোনো কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারেনি বিএনপি।যদিও বিএনপির একাংশ এর জন্য মওদুদ আহমেদকে দায়ী কলেও অন্যপক্ষ বলছেন, কর্ম দোষেই কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া।

প্রকৃতপক্ষে বিএনপির যে পক্ষ বলছে খালেদা জিয়া কর্ম দোষে কারাগারে আছেন, তারা মূলত মওদুদপন্থী নেতা বলে জানা গেছে।

দলটির একটি সূত্র বলছে, বিএনপির মওদুদপন্থী নেতারা এতোই স্ট্রং যে, খালেদাপন্থী নেতারা যুক্তি-তর্ক এবং অর্থে টিকতে পারছে না তাদের সামনে।

এ প্রসঙ্গে কথা হয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সঙ্গে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিএনপি একটা গণতান্ত্রিক শক্তির দল হলেও এর মধ্যে একাধিক মত বিদ্যমান। এক পক্ষ মির্জা ফখরুলকে সমর্থন করলেও অন্যপক্ষ সমর্থন করে ব্যারিস্টার মওদুদকে। আবার মির্জা ফখরুলকে যারা পছন্দ করেন, তারা রুহুল কবির রিজভীর নির্দেশ মানতে চান না। কারণ দলে জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে মওদুদ আহমেদ এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া তার মন্ত্রিত্ব করারও অভিজ্ঞতা রয়েছে। যদিও অনেকে মনে করে মওদুদের রাজনীতির মারপ্যাঁচ হয়তো হাসনা আহমেদ নির্ধারণ করে থাকেন।

হাসনা মওদুদ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হাসনা মওদুদ অত্যন্ত জ্ঞানী মানুষ। তার আন্তর্জাতিক লবিং অনেক স্ট্রং। একারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে আমরা তার পরামর্শ নেই। এটা দোষের কিছু নয়, বিএনপি বাঁচাতে যে কেউই সিদ্ধান্ত দিলে, আমরা তা গ্রহণ করি।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং-লবিংয়ের কারণে বিএনপি রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। দলটির কেউ তারেক-রিজভীপন্থী, কেউ আবার মওদুদ-ফখরুলপন্থী। যার কারণে দীর্ঘ সময় পেয়েও গুছিয়ে উঠতে পারেনি বিএনপি। সেক্ষেত্রে বিএনপিকে একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক দল হিসেবে মানতে তাদের আপত্তি নেই বলেও জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *