Sharing is caring!

এবতেদায়ী থেকে দাখিলের সুপার

মোহাম্মদপুর মাদ্রাসা সুপার মনিরুলের

অবৈধ নিয়োগ : স্ব-স্ত্রীক দেশ ত্যাগের প্রস্তুতি

♦ স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুরে (রামভদ্রপুর) অবস্থিত মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার নিয়োগে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাৎ, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি, একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা ভোগকারী ও নানা অনিয়মের সাথে জড়িত মাদ্রাসার সুপার মনিরুল ইসলাম এসব দূর্ণীতি ধামাচাপা দিতে এবং পাশ কাটাতে স্ব-স্ত্রীক দেশ ত্যাগের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও একটি সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এবতেদায়ী শাখায় নিয়োগ হলেও কৌশল করে দাখিল শাখার সহকারী মৌলভী হিসেবে অভিজ্ঞতা দেখিয়ে নিয়োগ কমিটিকে পুরোপুরি ভুল বুঝিয়ে সুপার হিসেবে নিয়োগ নিয়ে অদ্যবধি চাকুরী করে আসছেন বলে অভিযোগ করেছেন একই মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক ও সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষকরা। শুধু তাই নয়, দাখিল শাখার সিনিয়র মৌলভীদের বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নিয়োগ নীতিমালা ভঙ্গ করে ২০০৬ সালে এই নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৮৯ সালে এবতেদায়ী শাখায় নিয়োগের পর চাকুরীও করেছেন, নিয়মিত বেতন-ভাতাদী উত্তোলনও করেছেন এবং নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ফাজিল ও কামিল পরীক্ষা দিয়ে পাশও করেছেন। এভাবে অবৈধভাবে সার্টিফিকেট অর্জন করে সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে সুপার পদে নিয়োগ নিয়েছেন। বিধিমালা মোতাবেক কোন জুনিয়র মৌলভী বা এবতেদায়ী শাখায় নিয়োগ হওয়া কোন মৌলভী শিক্ষক দাখিল শাখায় সুপার পদে নিয়োগ হতে পারবে না। নিয়োগ হওয়া দূরের কথা, আবেদনই করতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্র। তারপরও এই নিয়োগ কমিটি মনিরুল ইসলামকে সুপার পদে নিয়োগ দেয়ায় নিয়োগ কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আর এসব সম্ভব হয়েছে সুপার নিয়োগ কমিটির সদস্যদের ম্যানেজের মাধ্যমে। জানা গেছে, মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার জুনিয়র মৌলভী শিক্ষক মো. কাউসার আলীর অন্যত্র চাকুরী হওয়ায় ১৯৮৯ সালে ওই পদটি শুন্য হয়। একই সালে এবতেদায়ী শাখায় জুনিয়র মৌলভী পদে নিয়োগ নেন আলিম পাশ করা লাহারপুর (মুরগীপাড়া) গ্রামের আলহাজ্ব মো. মহসীন আলীর ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম। কিন্তু নিয়োগপত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করেন তৎকালিন সভাপতির সাথে যোগসাজস করে। পরবর্তীতে চাকুরীরত অবস্থায় মনিরুল ইসলাম নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ফাজিল পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেন এবং আবারও নিয়মিত ছাত্র হিসেবে পরীক্ষা দিয়ে কামিলও পাশ করেন। এরই মধ্যে ২০০৬ সালে মাদ্রাসার সুপার পদটি অবসরজনিতকারণে শুন্য হয়। এই সুপার পদে নিয়োগ নেয়ার জন্য ষড়যন্ত্র ও নানা কৌশল শুরু করেন মনিরুল ইসলাম ও তাঁর আত্মীয়রা। সুপার নিয়োগ নীতিমালা মোতাবেক সুপার পদে আবেদন করার যোগ্যতা না থাকলেও নানা ফন্দি করে এবং নিয়োগ কমিটিকে ম্যানেজ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অদ্যবধি সুপার পদে চাকুরী করছেন এবং নিয়োগ অবৈধ হলেও সরকারী কোষাগার থেকে বেতন-ভাতাদীও উত্তোলন অব্যাহত রেখেছেন। সরকারী বিধিমালা মোতাবেক কোন জুনিয়র মৌলভী বা এবতেদায়ী শাখায় নিয়োগ হওয়া কোন মৌলভী শিক্ষক দাখিল শাখায় সুপার পদে নিয়োগ হতে পারবে না। নিয়োগ হওয়া দূরের কথা, আবেদনই করতে পারবেন না যোগ্যতা না থাকায়। মনিরুল ইসলাম চালাকি করে নিয়োগ এবতেদায়ী শাখায় হলেও জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ এবং প্রথম এমপিওতে এবতেদায়ী ‘ইবি’ লেখা থাকলেও পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তরের সাথে যোগসাজসে ‘ইবি’ শব্দটি এমপিও (মানথলি প্রেমেন্ট ওর্ডার) থেকে মুছে দিয়ে নিজেকে জুনিয়র মৌলভী হিসেবে দেখাতে থাকেন। তাঁর এবতেদায়ী শাখার এমপিওভূক্তির কোড নম্বর ১৫, ইনডেক্স নম্বর-৩৭৯৯৮৭, স্কেল-২০৯৭.৫০ টাকা। কিন্তু কৌশল করলেও এবতেদায়ী শাখায়ই একই কোড (১৫) নম্বরে কর্মরত শিক্ষক থেকে যান তিনি। ২০০৬ সালের ৩০ মে যোগদান করে একই ইনডেক্স নম্বরে মনিরুল ইসলাম সুপার পদে এমপিওভূক্ত হয়ে বর্তমানে কর্মরত আছেন। এদিকে, ১৯৯৪ সালের অক্টোবর মাসে সরকারীভাবে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়, সেখানে জুনিয়র শিক্ষকদের যৌগ্যতা থাকলে এবং দাখিল শাখায় পদ শুন্য হলে একই প্রতিষ্ঠানে পদ সমš^য়ের মাধ্যমে দাখিল শাখায় শুন্য পদে স্থলাভিষিক্ত হতে পারবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে মোহাম্মদপুর মাদ্রাসায় উক্ত সময়ে মনিরুল ইসলামের সুপার নিয়োগের পূর্ব পর্যন্ত কোন সহকারী মৌলভী বা শিক্ষকের পদ শুন্য হয়নি। সেহেতু মনিরুল ইসলাম নিজেকে পদ সমš^য়ের যে বিষয়টি প্রতারণা করে নিয়োগ কমিটিকে বুঝিয়েছেন, সেটিও অবৈধ ও চালাকি। এছাড়া ওই সময়ের নীতিমালা মোতাবেক সুপার পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর সকল সার্টিফিকেটে ২য় বিভাগ থাকার কথাও উল্লেখ থাকে। এখানেও গরমিল রয়েছে। অন্যদিকে, চাকুরীরত অবস্থায় নিয়মিতভাবে কোন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সেই সার্টিফিকেট পরবর্তীতিতে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের জন্য বৈধ নয় নীতিমালায়। এসব অবৈধ সার্টিফিকেটে অজ্ঞাত কারণে নিয়োগ দেয়া হয়েছে মনিরুল ইসলামকে। এদিকে, তিনি নিজেকে অবৈধ ক্ষমতাবলে দাখিল শাখার মৌলভী দেখিয়ে মাদ্রাসার প্রকৃত যোগ্য সিনিয়র মৌলভী মো. সবর আলী মাওলানা ও মাওলানা মো. হযরত আলীকে ডিঙ্গিয়ে সম্পূর্ণ শর্ত ভঙ্গ করে সুপার পদে নিয়োগ নিয়েছেন বলেও অভিযোগ ও জানা গেছে। সুপার নিয়োগকালে মাওলানা হযরত আলী নিয়োগের জন্য চেষ্টা করলেও মনিরুল ইসলামের কুট কৌশলের কাছে হেরে যান। পরে অবশ্য মাওলানা মো. হযরত আলী আদালতে মামলা পর্যন্ত করেন। কিন্তু মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের পীড়াপীড়িতে ও ভয়ে মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। সুপার নিয়োগ হওয়ার পর থেকেই তাঁর সরাসরি শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষকদের উপর চালাতে থাকেন মানষিক নানা অত্যাচার। যেন তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ বা মুখ খুলতে না সাহস করেন। এসব অভিযোগ নিশ্চিত করেছেন একই মাদ্রাসার কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারী এবং এলাকার শত শত সাধারণ মানুষ। এছাড়া মনিরুল ইসলাম এবতেদায়ী শাখার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ থাকার আরও একটি দৃষ্টান্ত হচ্ছে, মনিরুল ইসলাম সুপার নিয়োগ হওয়ার পর এবতেদায়ী শাখার পদটি শুন্য হয় এবং সেই শুন্য পদে তাঁর স্ত্রী মোসা. আমেনা বেগমকে নিয়োগ দেয়া হয়। নিয়োগের বৈধতা নিয়ে এলাকার বেশকিছু শিক্ষানুরাগী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তখনই বাধ সাধলেও নিয়োগ কমিটি ম্যানেজ হওয়ার কারণে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে নেয়া হয়। সবমিলিয়ে নিয়োগ বিধিমালা মোতাবেক মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার পদে অধিষ্ঠিত মো. মনিরুল ইসলামের সুপার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণই অবৈধ। এই অবৈধভাবে নিয়োগ হওয়া সুপার মোহাম্মদপুর মাদ্রাসায় গড়ে তুলেছেন দূর্ণীতির পাহাড় ও ত্রাসের রাজত্ব। পাহাড় পরিমান অনিয়ম করলেও তাঁর ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করেন না প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। দাখিল শাখায় সহকারী মৌলভী হিসেবে ১০ বছরের অভিজ্ঞতার বিষয় নীতিমালায় উল্লেখ থাকলেও, সেই অভিজ্ঞতাও তার ছিলো না। কারণ সে সুপার নিয়োগ হওয়ার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত এবতেদায়ী শাখায় কর্মরত ছিলো এবং সুপার হওয়ার পর তাঁর পদটি শুন্য হয়। সেই পদে তাঁর স্ত্রীকে নিয়োগ দেয়া হয়। এটাই প্রমান করে মনিরুল ইসলাম এবতেদায়ী শাখাতেই কর্মরত থেকে, বেতন-ভাতা উত্তোলন করে, নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে ফাজিল ও কামিল পাশ করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সুপার পদে নিয়োগ নিয়ে লুটপাটের রাজত্ব চালাচ্ছেন। প্রতিবেদন প্রকাশের পর মনিরুল ইসলামের ব্যবসায়ীক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও একটি সুত্রে জানা গেছে। এছাড়াও সম্প্রতি (২০১৯) জেডিসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পুরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে বলেও মাদ্রাসার একটি সুত্র নিশ্চিত করেছে। মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব মো. আহসান আলী মাস্টারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় এবং পরিচালনা কমিটির (পকেট কমিটি) কয়েকজন সদস্যের প্রত্যক্ষ মদদে মাদ্রাসার সকল অনিয়ম, দূর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার মূল কারণ বলে মনে করছেন এলাকার শিক্ষানুরাগীরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ যার পদের জন্মই অবৈধ, তাঁর কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো কিছু আশা করাও দুরাশা। অবৈধভাবে নিয়োগ হওয়া সুপার বর্তমানে মনিরুল ইসলাম বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছেন মাদ্রাসার অর্থ লুটপাটসহ নানা অনিয়ম কার্যক্রম। অবৈধভাবে নিয়োগ হওয়ার পর বেশ কিছু পদে নিয়োগও দিয়েছেন মোটা অংকের অর্থের বিনিমিয়ে এই অবৈধ সুপার মনিরুল ইসলাম। নীতিমালা মোতাবেক এই অবৈধ সুপারের আমলে নিয়োগ হওয়া সকল শিক্ষক-কর্মচারীর নিয়োগও অবৈধ। এলাকাবাসীর মতামত যাঁর নিয়োগই সম্পুর্ণ অবৈধ, তাঁর কাছ থেকে কিভাবে ভালো কাজের আশা করা যায়। দূর্ণীতি আর অনিয়ম করে যাঁর নিয়োগ, সে দূর্ণীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করবে এটাই স্বাভাবিক। প্রায়শই চাচা শশুরগণ সভাপতি থাকাকালে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সুপার মনিরুল ইসলাম, বর্তমানেও তাঁর আর এক চাচা শশুর আলহাজ্ব আহসান আলী মাস্টারকে নিয়ে চালাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানের অর্থ লুটপাটসহ নানা অবৈধ কর্মকান্ড। সব মিলিয়ে পরিচালনা পর্ষদের অধিকাংশ সদস্যই আত্মীয় অথবা দলীয় বা তাঁর অধিনস্ত কর্মচারী। তাই তাঁর এত অনিয়ম বিষয়ে কেউ দেখার নেই। এলাকার ২/১ জন প্রতিবাদ করলেও কোন কাজে আসে না। উল্টো প্রতিবাদকারীর বিরুদ্ধেই অগ্নিমূর্তি হয়ে উঠেন মাদ্রাসার সুপার ও তার পকেটস্থ কমিটির সদস্যরা। এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসা, দারুল কুরআন ইসলামী একাডেমী, মোহাম্মদপুর হিফজুল কুরআন একাডমী ও ‘মক্তব’ প্রতিষ্ঠানের নানা অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর দূর্ণীতি ধামাচাপা দিতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন সভাপতি আলহাজ্ব আহসান আলী মাস্টার ও সুপার মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন নিকট আত্মীয়রা। বিষয়টি সমাধানের জন্য হিফজুল শাখার পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গত শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকালে হিফজুল কুরআন একাডেমী চত্বরে বসলেও সকল অনিয়মের হোতা মনিরুল ইসলাম জবাবদীহিতার ভয়ে মিটিং এ উপস্থিত হননি। এদিকে, দূর্ণীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর নানা কৌশল করে ব্যর্থ হয়ে নিজেকে সমাজের কাছ থেকে আড়াল করতে সুপার মনিরুল ইসলাম ও একই মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখায় সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত স্ত্রী কে নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেয়ার জন্য সম্প্রতি পাসপোর্ট করেছেন এবং যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন বলেও একটি নিশ্চিত সুত্রে জানা গেছে। এছাড়াও তাঁর অনিয়মের প্রতিবেদনের পর দারুল কুরআন ইসলামী একাডেমীর ৩ জন শিক্ষক (মহিলা) প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন এবং নিয়োগের সময় দেয়া অর্থ ফেরত চেয়েছেন বলেও জানা গেছে। শিক্ষকদের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়েও এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার শিক্ষানুরাগী, ভুক্তভোগী ও অধিকাংশ সাধারণ মানুষের দাবী মোহাম্মদপুর মাদ্রাসাটি সঠিকভাবে পরিচালনা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে মোহাম্মদপুর মাদ্রাসার সুপার মনিরুল ইসলামের অর্থ আত্মসাৎ, দূর্ণীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতিসহ সকল অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও এসব কাজে তাঁর সহযোগিদেরও সঠিকভাবে সরজমিন তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটায় আশা। অবৈধভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ও নীতিমালার বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. তৌফিকুল ইসলাম। উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর ও ২০ অক্টোবর ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ ও ৭ অক্টোবর জাতীয় দৈনিক ‘দৈনিক মানবকন্ঠ) পত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে মোহাম্মদপুর মাদ্রাসার সুপার মনিরুল ইসলামের অর্থ আত্মসাৎ, দূর্ণীতি, অনিয়ম, স্বচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতিসহ সকল অনিয়মের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *