Sharing is caring!

Banana.

কলা নিয়ে অনেকের মাঝে অনেক ধরনের কুসংস্কার আছে কিন্তু হয়তো জেনে আশ্চর্য হবেন যে বেশ কিছু শারীরিক সমস্যায় এই কলা ঔষধের চেয়ে ভালো কাজ করে। কলা শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় এটি স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারি কারন এতে ভিটামিন, প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান অনেক বেশি পরিমানে আছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো এই কলা দেহের শক্তি বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। কলাতে থাকা উচ্চ মাত্রার আঁশ আমাদের দেহকে বিভিন্ন রোগের থেকে রক্ষা করে।
যে ১০টি ক্ষেত্রে কলা ঔষধের চেয়ে ভালো ভূমিকা রাখে তা উল্লেখ করা হলো-
তাৎক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধিতে
কলা খাওয়ার সাথে সাথে আমাদের দেহে তাৎক্ষণিক ভাবে শক্তির সঞ্চার হয়। তাই শক্তি বৃদ্ধির সঠিক উপায় হিসেবে কলাকে বেঁচে নেয়া হয়।তাই শুধু মাত্র এই কারনে যারা ফুটবল, বাস্কেটবল এবং অন্যান্য খেলাধুলা করেন তারা কলা খান।
মানসিক চাপ কমাতে
কলা মানসিক চাপ কমাতে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে। এতে থাকা অ্যামাইনো এসিড আমাদেরকে শান্ত রাখতে এবং সময়কে আনন্দময় করতে পারে। এছাড়া কলাতে থাকা ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম আমাদের বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে।
হৃদ রোগের জন্য ভালো
কলা আমাদের হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ক্যালসিয়াম এবং খুব কম মাত্রায় লবন থাকে যা উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
স্মৃতিশক্তির উন্নতিতে
প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে তা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে।
রক্তশূন্যতা পুরণে
কলা সাধারণত রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। কারন এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন যা রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
হরমোন নিয়ন্ত্রণে
কলা আমাদের দেহের হরমোন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
গর্ভাবস্থায়
কলা গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই উপকারী। এই সময় কলা খেলে তা তাদের রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে এবং মর্নিং সিকনেস কমাতে সাহায্য করে।
পাকস্থলীর এসিড নিয়ন্ত্রণে
কলার উচ্চ মাত্রার পুষ্টিমানের জন্য এটা পাকস্থলীতে থাকা এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটা পাকস্থলীতে একটি বিশেষ স্তরের সৃষ্টি করে পাকস্থলীতে প্রদাহ বা ঘা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।
রক্তের শর্করার নিয়ন্ত্রণে
কলায় প্রায় সব ধরনের ভিটামিন থাকাতে তা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে
কলাতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার আঁশ। তাই প্রতিদিন সকালে একটি করে কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

লেখিকা
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)(এমপিএইচ)

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *