Sharing is caring!

IMG_20170115_131413প্রেস বিজ্ঞপ্তি \ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্মের আদিবাসী ও বাঙ্গালিদের উপর রংপুর চিনিকল ও পুলিশের হামলা, মামলা, লুটপাট, খুন, উচ্ছেদ, অগ্নিসংযোগ, হয়রানির প্রতিবাদ এবং লুটেরা-সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ ও সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভ‚মি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে রবিবার দুপুরে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলটি মহানগরীর শাপলা চত্ত¡র থেকে শুরু হয়ে মূল রাস্তা ধরে কাচারী বাজারে এসে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে আগামী ৬ মার্চ উত্তরবঙ্গের সকল জেলায় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন। জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সবিন চন্দ্র মুন্ডা, সাহেবগঞ্জ-বাগদাফার্ম ভ‚মি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি ফিলিমন বাস্কে, আদিবাসী যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নরেন চন্দ্র পাহান, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বিভ‚তী ভ‚ষণ মাহাতো, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, রংপুর জেলা সভাপতি এ্যাড. মনিলাল দাস, দিনাজপুর জেলা সভাপতি শীতল মার্ডি, আহত দ্বিজেন টুডু’র স্ত্রী অলিভিয়া হেমব্রম, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি রাজিব মাহাতো প্রমূখ। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ রংপুর জেলা সমš^য় আব্দুল কুদ্দুস, বাসদ নওগাঁ জেলা সমš^য়ক জয়নাল আবেদিন মুকুল; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ রংপুর মহানগর সভাপতি গৌতম রায়, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রংপুর জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অশোক সরকার, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রংপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক কাফি সরকার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি গাইবান্ধা জেলা নেতা তাজিউল ইসলাম, জনউদ্যোগ গাইবান্ধা সদস্য সচিব প্রবীর চক্রবর্তী, বদরগঞ্জ উপজেলা পারগানা ডাঃ শ্যামল হেমব্রম, আদিবাসী ফেডারেশন ঘোড়াঘাট উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সুধীর কর্মকার প্রমূখ। বিক্ষোভ মিছিলে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রায় দুই হাজার আদিবাসী নারী-পুরুষ ও রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিগণ অংশগ্রহণ করেন। উলে¬খ্য, গত ৬ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে আদিবাসী ও বাঙালি কৃষকদের উপর রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ কর্তৃক হামলা, লুটপাট ও অগিসংযোগ, উচ্ছেদ করা হয়। পুলিশের গুলিতে তিনজন আদিবাসী (সাঁওতাল) মারা যায়। আহত হয়েছে অনেকে। আদিবাসীদের প্রতিষ্ঠিত স্কুল, ধর্মীয়প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সাংসদ, স্থানীয় সাপমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মিল কর্তৃপক্ষের ইন্ধন, মদদে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহনে হত্যা, অগ্নিসংযোগ এবং সাঁওতাল পল্লীতে লুটপাট চালানো হলেও অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়নি। অপরাধীরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। উল্টো সাঁওতাল ও গরীর বাঙ্গালি কৃষকদের উপর মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *