Sharing is caring!

চাউলের মূল্য দ্রুত ¯^াভাবিক ও ব্যবসায়ীদের খচর এবং সময় বাঁচাতে জেলার রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে চাউল আমদানীর অনুমতি প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন জেলার ও দেশের চাউল ব্যবসায়ীরা। এই রেলবন্দর দিয়ে অন্য অনেক পণ্য আমদানীর অনুমতি থাকলেও চাউলের অনুমতি নেই। বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে চাউল আমদানীর জন্য ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে, সেখানে শুধুমাত্র অনুমতি না থাকার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে চাউল রেলপথে আনতে বাধার সম্মুখিন হচ্ছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাদের রেলবন্দর দিয়ে চাউল রপ্তানীর অনুমতি রয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে চাউল আমদানীর অনুমতি আজও দেয়া হয়নি। বিষয়টি অবশ্যই ভাবার সময় হয়েছে। রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে চাউল আমদানী হলে একদিকে চাউল পরিবহন খরচ যেমন অনেকটা বাঁচবে, অন্যদিকে সময়ও অনেক কম লাগায় চাউলের দাম দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে। রেলযোগে চাউল নিয়ে আসলে সময় লাগে মাত্র ৩ দিন। এতে সময়ও যেমন বাঁচে, খরচও কমে যায়। রেলবন্দর দিয়ে চাউলগুলো প্রবেশ করলে খুব কম সময়ের মধ্যেই চাউলগুলো সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ট্রাক যোগে অন্য বন্দর দিয়ে চাউল আমদানী করলে প্রায় ২ সপ্তাহ বা তারও বেশী সময় লেগে যায়। আবার সিরিয়ালে ট্রাক বসে থাকায় ট্রাক প্রতি মোটা অংকের টাকা জরিমানা দিতে হয়। এই জরিমানার টাকাও চাউলের মুল্যের উপর প্রভাব ফেলে। এতে চাউলের দাম বেড়ে যায়। তাই জন¯^ার্থে রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে চাউল প্রবেশের অনুমতি দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে দ্রুত এগিয়ে আসবেন কর্তৃপক্ষ এমনটায় আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। উল্লেখ্য, দেশে চালের সংকট ও দাম উর্ধ্বগতি রোধে বিদেশ থেকে চাউল আমদানীর উপর ট্যাক্স কমিয়েছেন সরকার। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে রেলযোগে চাউল নিয়ে আসতে সময় কম ও পরিবহন খরচ কম হওয়ায় রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে কয়েক র‌্যাক চাউল নিয়ে আসার চেষ্টা করলেও রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে চাউল প্রবেশের অনুমোদন না থাকায় রেলন্দরের ভারতীয় অংশে র‌্যাকগুলো আটকে রয়েছে। ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় চাউলগুলো প্রবেশ করতে পারছেনা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে চাউল আমদানীর অনুমোদন না থাকায় চরম বেকায়দায় পড়েছেন আমদানীকারকরা।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *