Sharing is caring!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই বছর অনুষ্ঠিত হবে। সেই ক্ষেত্রে ২০১৮ নির্বাচনের বছর বলা যেতে পারে। বিগত বছর গুলোতে দেখা গেছে যে নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি একটু অস্থির থাকে। কিন্তু বর্তমান সরকারের অধীনে জনগণ অনাকাঙ্খিত কোনো অস্থিরতার শিকার এখনো হয়নি। শান্তিপূর্ণভাবে গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

আগামী ৩০ জুলাই সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী এই তিন সিটির নির্বাচন আসন্ন। এজন্য সেখানকার প্রচার প্রচারণা জমে উঠেছে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে চলছে। এই নির্বাচন স্থানীয় সরকারের নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনে এর প্রভাব কিছুটা হলেও পড়তে পারে।

বর্তমান সরকারের অধীনে দেশে উন্নয়নের জাগরণ ঘটেছে। পদ্মা সেতু, হাইটেক পার্ক, মেট্রোরেল, এলএনজি টার্মিনাল, কৃষকদের জন্য কৃষি বাতায়ন ইত্যাদি একের পর এক উন্নয়ন বর্তমান সরকার আমাদের উপহার দিয়ে যাচ্ছে। সৌদি আরবে শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পর সরকার নির্মাণ শ্রমিকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে তুলছে। কৃষি ক্ষেত্রে ও বিপুল উন্নয়ন হয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হলে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির পথ প্রশস্ত হবে।

আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতা কর্মী বর্তমানে দেশের এবং জনগণের প্রতি বেশ কর্তব্যপরায়ণ। এই কর্তব্যপরায়ণতা দেশকে জপনগণকে নিয়ে যাচ্ছে উন্নতির দিকে। দেশে দারিদ্রের হার ও কমেছে। সরকার সর্বস্তরে উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছে তা বুঝা যায়। শুধু তাই নয় দেশে জিডিপির হার ও বেড়েছে আশানুরূপভাবে। কিছুদিন পর তা আমাদের প্রতিবেশী দেশকে পিছনে ফেলতে সক্ষম।

দেশকে অনন্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে আওয়ামী লীগ সরকার এবং তাদের নেতা কর্মীরা সর্বদা তৎপর ছিল। এজন্যই দেশে উন্নতির ধারা বইছে। তাদের তৎপরতার জন্যই নির্বাচন পূর্বকালীন সময়ে দেশে এখন ও শান্তি শৃঙ্খলা বিরাজমান।

দেশের চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *