Sharing is caring!

প্রেস বিজ্ঞপ্তি \ বিরসা মুন্ডার ১১৭তম মৃত্যু দিবস উদযাপন উপল¶ে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার, আলুপট্টি, রাজশাহীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি নকুল পাহান। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, দপ্তর সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হেমব্রম, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুসেন কুমার শ্যামদুয়ার, আদিবাসী যুব পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার আহবায়ক উপেন রবিদাস, যুগ্ম-আহবায়ক হুরেন মুর্মু, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হেমš— মাহাতো, চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দিলীপ পাহান, কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক আপেল মুন্ডা প্রমুখ। আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন মুন্ডা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিরসা মুন্ডা মৃত্যুর ১১৭ বছর অতিবাহিত হলেও আদিবাসীরা তাদের সাংবিধানিক ও ভুমির অধিকার এখনো পায়নি। বিরসা মুন্ডা বিদ্রোহ করেছেন আদিবাসী সমাজের অত্যাচার, শোষন এবং অবিচারের বিরুদ্ধে। সাধারণ আদিবাসী মানুষের ভোগান্তি, অনাহার, বিনাচিকিৎসায় মৃর্ত্যু, নির¶রতা এবং অজ্ঞতা বিরসাকে মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করতে উৎসাহ জাগিয়েছিল। তিনি আদিবাসীদের ভুমি ও অরণ্যের অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। মানবাধিাকার ও ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করা এবং মানুষকে সংগঠিত করা আজকের আদিবাসীদের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য। বিরসা মুন্ডার এই বীরের মত লড়াই এবং শহীদবরণ আদিবাসীদের মুক্তির যেকোন লড়াই সংগ্রামে উৎসাহের আধার হিসেবে কাজ করবে। বিরসা মুন্ডা তার ¯^ল্পায়ু জীবনে ১৮৯৫ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত বিদ্রোহ করেন আদিবাসীদের মুক্তির জন্য। বিরসা মুন্ডা ৯ জুন ১৯০০ সনে রাঁচি কারাগারে শহীদ হন। এছাড়াও বক্তারা দেশের শি¶া পাঠ্য পুস্তকে বিরসা মুন্ডা ও সাঁওতাল বিদ্রোহের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান আলোচনা সভায়। আলোচনার শুরুতে বিরসা মুন্ডাসহ সকল আদিবাসী শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। ধারনা পত্র পাঠ করেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রতিশ টপ্য।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *