Sharing is caring!

গোদাগাড়ী থেকে শফিকুল ইসলাম \ রাজশাহী-চাঁপাই পুরাতন মহাসড়ক (ভিতর পাশ) রেলগেট বাইপাশ হতে বিজয়নগর বাইপাশ পর্যন্ত সড়কটি খানা খন্দে ভরে বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। পাশাপাশি এ সড়কটির দিন দিন কমে আসছে প্রস্থতা। ফলে সীমাহীন জনদূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। খানা খন্দে ও সড়কের প্রস্থ কমে যাওয়ায় দুর্ভোগ বৃদ্বি পাচ্ছে যানবাহন ও চলাচলকারী যাত্রীদের। ঘটছে প্রতি নিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা। একটু বৃষ্টি হলেই স্কুলের কোমলমতি শিশুরা সড়কে পানি জমে থাকার কারনে স্কুল যেতে নানা ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। দিনের পর দিন মহাসড়টির বেহাল দশা ও দখল হলেও দেখার যেন কেউ নেই। খানা খন্দের কারনে এ সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বড় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এখন এ সড়কের একমাত্র যান ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা। মহাসড়কের জায়গা দখল করে সড়কের দুই ধারে বিভিন্ন স্তুপ, খরের পালা, খড়ির মাচা, গরু রাখার গোয়াল ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলায় সড়কের প্রস্থতা কমে যাচ্ছে। এমন কি সড়কের উপর ধান মাড়াই, ধানের আউড় শুকানো, স্থাপনা তৈরীর জন্য খুয়া, সিমেন্ট-বালির কাজ করাসহ বিভিন্ন কাজে মহাসড়ক ব্যাবহার করা হচ্ছে। এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট বড় শতশত যান বাহন চলাচল করে। যানবাহনে হাজার হাজার যাত্রীদের জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারাচ্ছে অনেকে। এমনকি অনেককে করতে হয়েছে পুঙ্গত বরণ। মহাসড়কটির এ অবস্থার জন্য বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ অঞ্চলের হাজার হাজার জনগনকে চলাচল করতে গিয়ে পড়তে হচ্ছে বিপাকে। এখন এ সড়কের প্রধান যানবাহন হচ্ছে অটোরিক্সা, নসিমন ও করিমন। এ মহাসড়কের পাশ ধরে রয়েছে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা। ছাত্র-ছাত্রী স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা যাওয়ার সময় নানা সমস্যার সম্মূখীন ও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। মহাসড়কের দুই ধারে পানি নিস্কাসনের জন্য ড্রেন থাকলেও ড্রেন গুলো ভরাট করে দিয়েছে মহাসড়কের দু-পাশে অবস্থানকারীরা। একটু বৃষ্টি হলেই মহাসড়কের উপর জমে থাকে হাটু পর্যন্ত পানি। পানি জমে থাকায় ছাত্র ছাত্রী, জনগন ও যানবহন গুলো ঠিকমত চলাচল করতে পারে না। যানবাহন চালক ও যাত্রীরা মহাসড়কের এ অবস্থার জন্য প্রতিবাদ করলে মহাসড়কে স্থাপনা ও স্তুপ স্থাপন কারীদের সাথে বাক বিতন্ডতার সৃষ্টি হয়। বাস চালক এনামুল বলেন, ভিতর পাশ সড়কের বেহাল দশা ও দখল করে রাখায় বাস চালাতে অনেক বাঁধার মুখে পড়তে হয়। তাই ভিতর পাশ দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সড়কের অবস্থা ¯^াভাবিক হলে আবারো ভিতর পাশ দিয়ে বাস চলাচল করবে। ভিতর পাশ দিয়ে অটোরিক্সায় রাজশাহীগামী যাত্রী শাহিন বলেন, ভিতর পাশ সড়কের যে অবস্থা জীবনের ঝুকি নিয়ে রাজশাহী যেতে হচ্ছে। রাজশাহী যাওয়া লাগবে, তাই নিরুপায় হয়েই এভাবে যাচ্ছি। অটোরিক্সা চালক ওয়ালুল বলেন, ভিতর পাশ সড়কটি ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় ও সড়কের উপর সব সময় ধান মাড়াই, খড় শুকানো লেগেই থাকে, সড়ক দখল করে অনেকে স্থাপনা নির্মান করাই সড়কের চওড়া কমে গেছে। অটোরিক্সা চালাতে গিয়ে অনেকের সাথে কথাকাটাকাটি হচ্ছে। দুর্ঘটনাতো ঘটতেই থাকছে। এ মহাসড়কটি সংস্কারে উর্দ্ধোতন কর্তৃপ¶ের সু-দৃষ্টি কামনা করেছে ভুক্তোভোগী এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *