Sharing is caring!

রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে

গ্রহণযোগ্যতায় এগিয়ে জাকিরুল

ইসলাম সান্টু

♦ রাজশাহী প্রতিনিধি

আগামীকাল ৮ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন ঘিরে এরই মধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগ। সম্মেলনকে ঘিরে জেগে উঠেছেন রাজশাহীর তৃণমূল আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীরা। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে এমন ইঙ্গিত রয়েছে দলীয় হাইকমান্ডের। এই জন্যই অনেক নেতাকর্মী দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এমনই একজন হলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য, বাগমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাড. জাকিরুল ইসলাম সান্টু। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতান্ত্রিক, অসা¤প্রদায়িক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের রাজপথ কাঁপিয়ে বাংলা ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন তিনি। জানা গেছে, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা হিসেবে জেল খেটেছেন। জেলে থাকাকালীন সময়ে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা জেলখানায় তার জন্য শীতবস্ত্র পাঠিয়েছিলেন। সান্টু রয়েছে বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন। তিনি ১৯৭৯ সালে বাগমারা উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৮৩ সালে শাহমখদুম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮৫ সালে রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৮৬ সালে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৯ ও ১৯৯১ সালে দুইবার রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৯১ সালে বাগমারা উপজেলার বড়বিহানালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ১৯৯২, ১৯৯৬, ২০০৫ ও ২০১৩ সালে পরপর চারবার বাগমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। রাজনীতি ও জনসেবায় অনন্য অবদান রাখায় বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন সান্টু। এরমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় অবদান রাখায় বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। আওয়ামীলীগসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে তাঁর রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। বিভিন্ন সময় জঙ্গিবাদ, মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে চলেছেন তিনি। সরকার ও আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি রক্ষায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরেছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে দক্ষ সান্টুকে নিয়ে আশাবাদী তার সমর্থক ও তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা-প্রচারণা। উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সাহার আলী বলেন, জাকিরুল ইসলাম সান্টু, দলের স্বার্থে নিরলস ভাবে বিভিন্ন সময় কাজ করে গেছেন। সরকারী বিভিন্ন চাকুরী পেলেও দেশ ও জনসেবার স্বার্থে সেগুলো ত্যাগ করেছেন। এমন ব্যক্তি নির্বাচিত হলে দেশ ও দলের স্বার্থে কাজ করতে পারবেন বলে আমি মনে করি। সেই সাথে তিনি কখনও প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করেন না। এব্যাপারে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আলহাজ্ব এ্যাড. জাকিরুল ইসলাম সান্টু বলেন, আমি ৭ম শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে জনসেবার লক্ষ্যে রাজনীতিতে যুক্ত হই। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আর্দশের একজন ক্ষুদ্র সৈনিক হিসেবে কাজ করে চলেছি। রাজনীতির বড় পরিসরে সুযোগ পেলে নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করবো।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *