Sharing is caring!

শফিউল বারী রাসেল, জয়পুরহাট থেকে \
এখনো হয়নি মহরত কিংবা শ্যুটিং তারপরও চলচ্চিত্রপাড়া, মিডিয়া অঙ্গন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। যে চলচ্চিত্র নির্মাণকে ঘিরে এই ঝড় তার নাম “রূপবতী”। এই রূপবতী আর কেউ নন, ছোট পর্দার আলোচিত-সমালোচিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রভা। একযুগেরও বেশি সময় ছোট পর্দায় একচাটিয়া অভিনয় করলেও এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটছে এই অভিনেত্রীর। তাও আবার দুই বাংলার নন্দিত চিত্রনায়ক ফেরদৌস এর সাথে জুটি বেঁধে। জানা গেছে, এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এক সংগ্রামী ও প্রতিবাদি নারীর জীবনালেখ্য তুলে ধরাসহ নানা প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে একজন নারী কিভাবে নিজেকে সেভ করতে পারে এমন ম্যাসেজও থাকবে এখানে। ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রটির নাম ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রাপ্তির পাশাপাশি কলাকুশলীদের সাথে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের দ্বিপাক্ষিক চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। গল্পের প্রয়োজনে খুব শিঘ্রই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে এর দৃশ্য চিত্রায়িত হবে। গ্রামীণ থ্রিলার ধাঁচের গল্প নির্ভর এই চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা ও পরিচালনা করছেন ছোট পর্দার আলোচিত নির্মাতা অঞ্জন আইচ। এটি তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। এতে থাকছে পাঁচটি গান। যার সবকটি গান লিখেছেন স্বনামধন্য সাহিত্যিক ও গীতিকার অনুরূপ আইচ। সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করছেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক রবিন ইসলাম এবং এটি প্রযোজনা করছেন রিজেন গ্রæপের সিস্টার প্রতিষ্ঠান কথক ক্রিয়েটিভ জোন লিঃ। প্রভা জানিয়েছে, এর আগে মনপুরা চলচ্চিত্রে অভিনয় করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নানা কারণে তা করা হয়ে ওঠেনি। নানা বিতর্ক আমাকে বারেবারে টেনে ধরেছে। শেষ পর্যন্ত অঞ্জন আইচ ফেরদৌসের মত জনপ্রিয় নায়কের বিপরীতে আমাকে রূপবতীতে অভিনয়ের সুযোগ দেয়ায় নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপনের সুযোগ পেলাম। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনেও একটা জায়গা করে নিতে চাই। ফেরদৌস বলেন, ছবিটিতে যেমন একটি নারীর নানা প্রতিবন্ধকতা ফুটে উঠেছে, তেমনি আবার ভরপুর বিনোদনও রয়েছে। গল্পটা শোনার পর আমার অন্তরে দারুনভাবে দাগ কাটে। তাই সহজেই রাজি হয়ে যাই। সহশিল্পী প্রভা প্রসঙ্গে বলেন, প্রভা আমার জুটি হতে যাচ্ছে। যিনি অভিনয়গুণে ছোট পর্দাতে যেমন দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করেছেন, তেমনি বড় পর্দায়ও তাঁর অভিনয় দিয়ে দর্শক নন্দিত হবেন বলে আমার বিশ্বাস। অঞ্জন আইচ বলেন, এই চলচ্চিত্রটি আমার ৬ বছরের সাধনার ফসল। এটি মূলত গ্রামীণ থ্রিলার ধাঁচের নারীবাদী গল্প। আমার বিশ্বাস, গল্পটাই দর্শককে ধরে রাখবে। রিজেন গ্রæপ এর চেয়ারম্যান ও এ চলচ্চিত্রের প্রযোজক এস.আর হৃদয় বলেন, আমাদের মিশন দেশীয় চলচ্চিত্রকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেয়া। সব সময় সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে ভাল কিছু করার। সবার কাছে এ চলচ্চিত্রে সংশি¬ষ্ট সবার জন্য দোয়া আশির্বাদ কামনা করছি। সবচেয়ে বড় চমক হচ্ছে, প্রযোজক হিসেবে রিজেন গ্রুপের চেয়ারম্যান এস.আর হৃদয়ের প্রথম প্রযোজিত চলচ্চিত্র এটি। শুধু তাই নয়, নায়িকা প্রভারও ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দায় প্রথম আগমন এবং অঞ্জন আইচ এরও প্রথম পরিচালিত ছবি এটি। আরো চমক রয়েছে এই মূহুর্তে তা জনানো সম্ভব নয়। পরবর্তীতে জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *