Sharing is caring!

শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষের নানা

অনিয়ম-দূর্ণীতির পর জালিয়াতি

♦ স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ সাহেব নানা অনিয়মের পর এবার জালিয়াতি করেছেন তাঁর ছেলের অবৈধভাবে গত ২৪ মে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ‘পরিদর্শক’ হিসেবে ডিউটি দেয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে। জালিয়াতি করে অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) শিক্ষক না হয়েও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ‘কক্ষ পরিদর্শক’ হিসেবে ডিউটি করলেও বিষয়টি জানাজানি হলে এবং প্রশাসনের নজরে আসলে তড়িঘড়ি করে তালিকা ও পরিদর্শকের সম্মানী গ্রহণের তালিকায় অন্য একজন শিক্ষক মো. হাকিকুল ইসলামের নাম বসিয়ে জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বাক্ষর করে তালিকা জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ষড়যন্ত্রের কারণ হচ্ছে, হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) শিক্ষক না হয়েও সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ‘কক্ষ পরিদর্শক’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয় নিয়ে ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা। কিন্তু কথায় বলে, “সত্য শত বাধা পেরিয়েও প্রমান হবে”। তবে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ নিজেকে অত্যন্ত চালাক ও বুদ্ধিমান মনে করলেও সঠিক বিষয়টি নিজেই বলেছেন, জালিয়াতি তালিকায় নাম ভূক্তি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়া একই কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. হাকিকুল ইসলাম (হক সাহেব)। “তিনি বলেন, গত ২৪ মে সরকারী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার দিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার পরীক্ষা কমিটির আহবায়ক হিসেবে পরীক্ষার দায়িত্বে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজে অবস্থান করছিলাম। সেখানে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলামও দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজে সরকারী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার কোন দায়িত্ব পালন করেন নি। তিনি আরও বলেন, ২৫ তারিখ সকালে অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম নির্দেশে একই কলেজের শিক্ষক মো. আজমল হোদা আমাকে ডেকে পাঠিয়ে তাদের প্রস্তুতকৃত তালিকায় স্বাক্ষর করতে বলেন। কিছু না জেনে-বুঝে স্বাক্ষর করতে না চাইলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায় অধ্যক্ষ ও তার অনুসারীরা। একপর্যায়ে বাধ্য হয়েই ওই কাগজে স্বাক্ষর করে চলে আসি।” প্রথমে বিষয়টি বুঝে উঠতে না পারলেও, পরে জানতে পারি অধ্যক্ষের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) শিক্ষক না হয়েও সরকারী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় তাঁকে দিয়ে এই অনিয়ম করানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একই শিক্ষক কিভাবে একই সময়ে ২ স্থানে কর্তব্য পালন করতে পারে? অধ্যক্ষ সাহেব নিজের ছেলের অপরাধ ঢাকতে আমাকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সত্য, সত্যই। সত্য কোনদিন চাপা থাকে না। তিনি চান, সত্য রেবিয়ে আসুক এবং অপরাধের সঠিক বিচার হোক। তিনি আরও বলেন, একজন স্বনামধণ্য আওলিয়া পীর হযরত শাহনেয়ামতুল্লাহ (রঃ) এর নামে প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মান-সম্মান একেবারেই শেষ করে দিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ। এটাও খুব কষ্টের। শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের উপাধ্যক্ষ (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ) মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে জানান, কলেজের শিক্ষক হাকিকুল ইসলাম এবং আমি দু’জনই ২৪ মে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার পরীক্ষা কমিটির একজন সদস্য হিসেবে পরীক্ষার দায়িত্বে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কলেজে ছিলাম। তিনি বলেন, অধ্যক্ষ সাহেব হাকিকুল ইসলামের নাম জালিয়াতি করে তালিকাভূক্ত ও জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে তাঁর ছেলের অপরাধ ঢাকতে যে ষড়যন্ত্র ও ঘটনা করেছেন, সেটা অত্যন্ত দুঃখ জনক। এত নোংরা কাজ একজন শিক্ষিত মানুষ করতে পারে? এটা ভাবতেও লজ্জা হয়। ঘটনা জানাজানির পর জালিয়াতি করে অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) এর নাম বাদ দিয়ে নতুন শিক্ষকের নাম তালিকাভূক্ত করা, পরিদর্শক হিসেবে সম্মানী গ্রহণের তালিকায় একইভাবে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) এর নামের স্থলে পত্রিকায় প্রকাশিত সিরিয়ার নম্বরে হাকিকুল ইসলামের নাম ও স্বাক্ষর করিয়ে পূর্বের পাতা সরিয়ে দিয়ে নতুন পাতা ফাইলে অন্তর্ভূক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল কাদের জানান, গত ২৪মে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শেষে জেলার সকল পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা ও সম্মানী বিতরণের কাগজপত্র শুক্রবার দুপুরের মধ্যেই জমা দিলেও, শুধুমাত্র শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের কাগজপত্র জমা দেয়া হয়েছে সন্ধ্যার আগ মুহুর্তে। এছাড়া কিছু জানেন না তিনি। কিন্তু গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর ২৫মে শিক্ষক হাকিকুল ইসলামের স্বাক্ষর করা কাগজ কিভাবে ওই ফাইলে অন্তর্ভূক্ত হলো, বিষয়টি কি প্রশ্নবিদ্ধ নয়? তাহলে কি, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কোন কর্মকর্তাও এই ষড়যন্ত্র ও অনিয়মের সাথে জড়িত বলে প্রমান হয় না? অবশ্যই কোন অজ্ঞাত সুবিধা ভোগ ও কারণে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা এই ষড়যন্ত্র ও অনিয়মের সাথে জড়িত থেকে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) এর নামের তালিকা ও সিরিয়ার নম্বরে হাকিকুল ইসলামের নাম ও স্বাক্ষর করিয়ে পূর্বের পাতা সরিয়ে দিয়ে নতুন পাতা ফাইলে অন্তর্ভূক্ত করে বিষয়টিকে ভিন্নপথে চালানোর চেষ্টা করেছেন। তদন্ত করে এ বিষয়টিও দেখা প্রয়োজন। এমন জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বিষয়ে ষড়যন্ত্র এবং এর সাথে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্টতা। বিষয়টি যেন ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাঁকা’র মত। নিজের ছেলের অবৈধ কাজকে ঢাকতে গিয়ে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ অন্য শিক্ষককে আবারও অবৈধভাবে অন্তর্ভূক্ত করে আরও একটি দূর্ণীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন, বিষয়টি এমনই। এখানেই শেষ নয়, এঘটনাসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দূর্ণীতির কারণে (শারিরীক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে) অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলামকে এক মাসের ছুটি দেন শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক এবং পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু দুর্ভাগ্য, এত অনিয়ম করার পরও অধ্যক্ষ ২৫ তারিখে ছুটিতে গিয়ে কলেজের একক স্বাক্ষরে থাকা সোনালী ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থেকে ২৬মে ৩ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে নিজ পকটস্থ করেছেন বলেও জানা গেছে। এদিকে, শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অনার্স বিভাগের শিক্ষকগণ অনার্স বিভাগের বিভিন্ন সমস্যা ও অনিয়মের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হকের কাছে। অন্যদিকে, কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলামকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও জানা গেছে। অধ্যক্ষের হয়ে ভয়ভীতি দেখানোর কাজটি প্রতিনিয়তই করছেন দূর্ণীতিবাজ অধ্যক্ষ নিজে, অধ্যক্ষের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন), মেয়ে রিপা, একই কলেজের শিক্ষক সকল অনিয়মের সহযোগি ও হোতা মো. আজমল হোসেন, বিলকিস আরা বানু (মহুয়া), মো. শাহিন কাওসার, মো. রাজ্জাক, প্রশান্ত সাহা সহ অধ্যক্ষের অনুগত আরও কয়েকজন শিক্ষক। এছাড়াও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলামকে কলেজের বিভিন্ন কাজে বাধা ও হুমকী দেয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। কলেজের অনার্স বিভাগের যে সকল শিক্ষক জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন, তাদেরকেও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকী দেয়া হচ্ছে। হুমকী ও ভয়ভীতির বাক্য হচ্ছে “ছুটি শেষে কলেজে ফিরবে অধ্যক্ষ, যারা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, দূর্ণীতি ও অনিয়মের তথ্য ফাঁস করেছে, বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে কাজে সহযোগিতা করছে, তাদের সকলের অবস্থা খারাপ করে দেয়া হবে, এই কলেজে চাকুরী কিভাবে করে, সেটাও দেখে নেয়া হবে” সহ নানা বাক্য। এছাড়া কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন) এর অনিয়মের বিষয়টি সত্য না বলে মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেয়ার জন্য কলেজের একটি অংশ থেকে প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে। একারণে সত্য স্বাক্ষ্য দেয়া শিক্ষকগণ অনেকেই আতংকগ্রস্থ। অন্যদিকে, একটি অনার্স কলেজের উপধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলেও উপাধ্যক্ষের বসার জন্য একটি আলাদা কক্ষের বরাদ্দ পর্যন্ত দেয়া হয়নি। বিষয়টি এমন যেন, উপধ্যক্ষের নিজস্ব কক্ষ হলে যেন অসম্মান হয় অধ্যক্ষের। গত ২৪ মে শুক্রবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ কেন্দ্রে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন)কে (শিক্ষক নয়, শিক্ষক নিবন্ধন না থাকা) “কক্ষ পরিদর্শক” হিসেবে দায়িত্ব পালন ও সম্মানী গ্রহনের বিষয়ে “চাঁপাইনবাবগঞ্জে অশিক্ষক হলো প্রভাষক \ নিলো প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা” শিরোনামে পরদিনই সংবাদ প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে। তাৎক্ষনিক বিষয়টি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক। শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের দূর্ণীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, কলেজের আর্থিকসহ বিভিন্ন অনিয়ম বন্ধ, স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতা নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠানকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়াই শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক মহোদয়কে জেলার শিক্ষাবিদ, শিক্ষানুরাগী, শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক, জেলার গণ্যমান্য ও সচেতন ব্যক্তিবর্গ সাধুবাদ জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় ও সমাজ থেকে অনিয়ম-দূর্ণীতি দূর করে স্বচ্ছতা ও জবাবদীহীতা সৃষ্টির লক্ষে নানা কৌশল বা পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। কিন্তু এক শ্রেণীর দূর্ণীতিবাজ সরকারের এই ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য ষড়যন্ত্র করেই চলেছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কলেজ শিক্ষক না হয়েও প্রভাষক দেখিয়ে গত ২৪মে শুক্রবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজ কেন্দ্রে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষের ছেলে হাসনাত আল মাহমুদ (ডন)কে “কক্ষ পরিদর্শক” হিসেবে দায়িত্ব পালন ও সম্মানী গ্রহনের ঘটনা ঘটে। এব্যাপারে পরদিনই সংবাদ প্রকাশিত হয় ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে। জানা যায়, সুষ্ঠুভাবে জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষে যথাযথ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কমিটি। কিন্তু প্রশাসনের এই স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষের ছেলে (শিক্ষক নয়, শিক্ষক নিবন্ধন না থাকা) হাসনাত আল মাহমুদ (ডন)কে ২৪মে শুক্রবার পরীক্ষায় শাহনেয়ামতুল্লাহ কলেজের প্রভাষক দেখিয়ে পরির্দশক এর দায়িত্ব দেয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *