Sharing is caring!

shibganj-pic-01শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্ত্তি হাটের ইজারাদাররা সরকারি নীতিমালার কোন তোয়াক্কা না করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দুই থেকে তিনগুন খাজনা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছে হাটের বিভিন্ন ধরণের পণ্য ব্যবসায়ীরা। এই নিয়ে হাটে আসা বিভিন্ন পণ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ¶োভ ল¶্য করা গেছে। এমনকি ইজারাদারদের সাথে বাকদ্ব›েদ্বও জড়িয়ে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, চককীর্ত্তি বাজারে প্রতি বৃহষ্পতিবার ও রোববার হাট বসে। এদিকে হাটে আসা লবণ বিক্রেতা হারুন অর রশিদ বলেন, আমাদের কাছে ১২ টাকা খাজনা নেয়, যদিও তা ৫ টাকা নেয়ার কথা আছে। সবজি বিক্রেতা কাইমুল জানান, আমার কাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ টাকা নেয়, দুরুল জানান, আগে আমরা ১০ টাকা খাজনা দিতাম, কিন্তু এখন তারা আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক ২০ টাকা খাজনা নিচ্ছেন। মুরগী ব্যবসায়ী তাবজুল হক জানান. ঝুঁড়ি প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা খাজনা নিচ্ছে। কিন্তু আমি শুনেছি সরকারি নীতিমালায় প্রতি ঝুঁড়ি ৩/৫ টাকা নেয়ার কথা। অপর এক মুরগী ব্যবসায়ী এনামুল হক জানান, আমার কাছ থেকে পাতিহাঁস প্রতি ৫ টাকা নিচ্ছে। মাছ বিক্রেতা মহবুল ইসলাম জানান, একটু জাগাতেই হামরাকে ১০ টাকা দিতে হয়। মিষ্টি বিক্রেতা শ্রী গারেন চন্দ্র শাহা জানান, আমাদের কাছ থেকে ৪০ টাকা নিতো, অতিরিক্ত খাজনা নেয়ায় আমরা প্রতিবাদ করি। প্রতিবাদ করার পর ২৫ টাকা করে নেয়। তবে, নায্য টোল ১০ টাকা। এছাড়া ধান বিক্রেতা আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রতিমন ৩ টাকার জাগায় হারঘের কাছে ১০ টাকা করে নেয়। আর এবিষয়ে বিতর্ক করতে গেলে হামাকে ইজারাদার বেদম মাইর ধর করে। এছাড়া গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন পন্য বিক্রেতারা একই অভিযোগ করেন। তবে, ইজারাদারদের খাজনা আদায়কৃত রশিদে পরিমাণ লেখার স্থান থাকলেও তারা আদায়কৃত খাজনার রশিদে টাকার পরিমাণ লিখেন না। এব্যাপারে জানতে চাইলে ইজারাদার মালিক আফজাল হোসেন সব বিষয় এড়িয়ে যান।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *