Sharing is caring!

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে অপহরণের ৩দিন পর উদ্ধার হলেও পুলিশ অপহরণের মামলা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। অপহরণের শিকার উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে আব্দুর রহিম। তিনি এই অভিযোগ করেন। তাঁর লিখিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দেড় বছর পূর্বের আর্থিক লেনদেনের বিরোধে গত ০২/০১/১৮ তারিখে সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি সংলগ্ন পুকুরপাড় থেকে একই গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে এরাজুল(৪০) এর নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৪জনের একদল দূর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রহিমকে একটি মাইক্রবাসে উঠিয়ে অজ্ঞাত একটি স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে বেধড়ক মারপিট করে আমার নিকট ৯ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। মুক্তিপণের টাকা না দিলে তারা অপহৃত রহিমকে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেয়। লিখিত এজাহার সূত্রে আরো জানা গেছে, গত ৩ জানুয়ারি বিকেলে আবারও আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর ব্যবহৃত মুঠো ফোন থেকে রহিমের স্ত্রী রিনা বেগমের মুঠো ফোনে কল দিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবী করে। এব্যাপারে আব্দুল রহিম বলেন, ফোনের সূত্র ধরেই আমার স্ত্রী ও আত্মীয়রা আমাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। কোন সন্ধান না পাওয়ায় থানায় লিখিত অভিযোগ করে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ আমাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। এমন সময় আসামী এরাজুলের সঙ্গী ডিস ব্যবসায়ী আপেলের হুকুমে অন্যরা আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনায় হাত-পা বেধে পুঠিমারীর বিলে আখ ক্ষেতে নিয়ে যায়। এমতাবস্থায় পুলিশের তৎপরতার টের পেয়ে তারা আমাকে গত ৪ জানুয়ারি গভীর রাতে মটরসাইকেলযোগে নিয়ে এসে আমার বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায়। এসময় তারা হুমকি দিয়ে যায়, এব্যাপারে কোন মামলা মোকার্দমা করলে তোকে প্রাণে শেষ করে দিব। এবিষয়ে অপহৃত আব্দুর রহিম জানান, এব্যাপারে আমি গত ৫ থেকে ৬ জানুয়ারি বিকেল পর্যন্ত কয়েকবার শিবগঞ্জ থানায় এজাহার জমা দিতে গেলে অজ্ঞাত কারণে এজাহার গ্রহণ না করে আমাকে ফেরত পাঠায়। এব্যাপারে ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রনি জানান, যেহেতু তার স্ত্রী রিনা বেগম একটি অভিযোগ দিয়েছেন সে অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং আসামীদের ধরার চেষ্টা চলছে। তবে, এব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল ইসলাম হাবিব জানান, ঘটনাটি আমার জানা নেই।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *