Sharing is caring!

শিবগঞ্জে অবৈধভাবে স্ব-মিল স্থাপন : দূষিত পরিবেশ

♦ স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সরকারি কোন নিময়নীতির তোয়াক্কা না করে ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন না নিয়ে স্থাপন করা হয়েছে স্ব-মিল (কাঠফাড়া মিল)। শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নের গুপ্তমানিক গ্রামের জুম্মা মসজিদ সংলগ্ন স্থানে স্ব-মিল টি স্থাপন করেছেন মো. মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো. আবুল কালাম। ইচ্ছেমতো চালিয়ে যাচ্ছেন মিলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। এতে মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা চমর ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে। কাঠের গুড়ো বাতাসে মিশে বায়ু দূষণ করছে এবং আশপাশের বাড়ি ঘর নোংরা ও মিলের পার্শ্ববর্তী কোমলমতি শিশুদেরও ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া অবৈধ ও প্রকট শব্দবিশিষ্ট শ্যালো মেশিন দিয়ে স্ব-মিল চালিয়ে পরিবেশের ও শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর বা সরকারী কোন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কিভাবে এই মিল চালাচ্ছে, এনিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, প্রায় ৫ মাস আগে মিলটি স্থাপন করে তার কার্যক্রম অব্যহত চালাচ্ছেন মো. আবুল কালাম। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে এবং জনবসতি,   শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পার্শ্ববর্তী স্থান, ধমীয় প্রতিষ্ঠান পার্শ্ববর্তী স্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনা থাকলে স্ব-মিল স্থাপনে বিধিনিষেধ ও নির্ধারিত সীমানা রেখার মধ্যে হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু তিনি সরকারের আইনের কোনো তোয়াক্কা না করে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই ৫ মাস থেকে এই মিল চালাচ্ছেন। যদি কেউ স্ব-মিল স্থাপন করতে চাই তাহলে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে করতে পারবে। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের কোন অনুমোদন না নিয়ে স্ব-মিল চালিয়ে যাচ্ছেন মো. আবুল কালাম। এব্যাপারে স্ব-মিল মালিক মো. আবুল কালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের কোন অনুমোদন নাই। অন্যদিকে, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া যদি কেউ স্ব-মিল করে থাকে, তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. বরমান হোসেন জানান, স্বমিল স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের অনুমোদন লাগবে। অনুমোদন ছাড়া কেউ মিল স্থাপন করতে পারবে না। যদি কেউ শিবগঞ্জ উপজেলায় অনুমোদন ছাড়া মিল স্থাপন করে থাকে তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *