Sharing is caring!

শিবগঞ্জে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের

পর বিয়ে : পাল্টাপাল্টি মামলা

♦ স্টাফ রিপোর্টার 

দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক হওয়ার পর পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও বর্তমানে উভয় পরিবারের মাঝে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই উভয় পরিবারের মাঝে দ্ব›দ্ব বাধায় প্রথমে নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলা দায়ের করে মেয়ের পরিবার। পারিবারিকভাবে বিয়ে এবং বিয়ে রেজিষ্ট্রি সম্পন্ন করা হলেও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে জোরপূর্বক বিয়ের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা করে ছেলের পরিবার। ঘটনাটি ঘটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্ত্তি ইউনিয়নের চক-নরেন্দ্র গ্রামের মেয়ে মোসা. ফরিদা খাতুন (২৩)’র বাবা মো. আলাউদ্দীন ও ছেলে মো. সোহেল রানার বাবা মো. সাইরুল ইসলাম। আদালতে মামলা চলমান থাকলেও আবারো দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন সোহেল রানা। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্ত্তি ইউনিয়নের চক-নরেন্দ্র গ্রামে দীর্ঘদিন সম্পর্কের পর পারিবারিকভাবে গত ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আইনগতভাবে বিয়ে হয় চক-নরেন্দ্র গ্রামের মো. আলাউদ্দীনের মেয়ে মোসা. ফরিদা খাতুন ও মো. সাইরুল ইসলামের ছেলে মো. সোহেল রানার। এঘটনায় বিয়ের কয়েকদিন পরেই ছেলে সোহেলকে বাড়ি থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয় তাঁর অভিভাবক। দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকার পরও সোহেল ফরিদার সাথে কোনো যোগাযোগ না রেখে প্রথমে গ্রাম আদালতে জোরপূর্বক বিয়ের অভিযোগ এনে অভিযোগ দায়ের করেন সোহেলের বাবা। অভিযোগের শুনানী ও তদন্ত করে উভয় পরিবারের মাঝে আলোচনা সাপেক্ষে বিয়ে সংঘঠিত হয়েছে উল্লেখ্য প্রতিবেদন দেন সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান। অবশ্য অভিযোগের পর বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পরিবারকেই সমস্যা সমাধানের জন্য গ্রাম আদালতে বসেন। শেষে আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলা দায়ের করেন ফরিদা। মামলা নম্বর-১০২/১৭, সিআর (শিব)। ফরিদার মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির ২ বার তদন্ত শেষে প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সেই ষড়যন্ত্র মামলা আদালতে খারিজ হয়ে যায়। এরপর ফরিদা বেগম দাবি হয়ে পারিবারিক জজ আদালতে দেনমোহর ও ভোরণ-পোষণের দাবিতে আরো একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৬/২০১৮। এসব মামলা চলমান থাকার পরও সোহেল ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আইনগতভাবে হওয়া বিয়ে বাতিল চেয়ে আবারো একটি মামলা করে। এখানেই শেষ নয়, এতগুলো অভিযোগ-মামলা মাথায় নিয়েই আবারো গত ৩০ আগষ্ট/২০১৮ একই উপজেলার ধাইনগর ইউনিয়নের গোষাইবাড়ি গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের মেয়ে তাজরিন খাতুনকে বিয়ে করে সোহেল। এবিষয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং চরম দু:শ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন ফরিদা এবং তাঁর পরিবার।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *