Sharing is caring!

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে ইউপি সাবেক সদস্যের বিধবা স্ত্রী ও তার পরিবারকে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে চরমভাবে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগী শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউপির সাবেক সদস্য মৃত নেমারুল হকের বিধবা স্ত্রী মোসা: জাহানারা বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, ২০০৮সালে আমার স্বামী নেমারুল হক মারা যাবার পর হতে আমাদের দালিলিক ও পৈত্রিক  বহুদিনের ভোগদখলীয় সম্পতি জাল দলিলের মাধ্যমে আমার ভাতিজা মরহুম তৈমুর রহমানের ছেলে ও তারাপুর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক আব্দুল প্রায় এক বছর আগে ওহাব তার দলবল নিয়ে  জোরপূর্বক দখল করতে আসলে আমি ও আমার ছেলেরা এর প্রতিবাদ করি। তবে, সেদিন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আব্দুল ওহাব শিবগঞ্জ থানায় একটি মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগ দিলে এ.এস.আই মুরাদ সেটিকে মামলা আকারে আমলে নিলে আদালতের মাধ্যমে আমরা নির্দোষ প্রমাণিত হই। এ ব্যাপারে এ.এস.আই মুরাদ বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মোসা: জাহানারা বেগম ও তার সন্তানদের থানায় ডেকে না আসার মামলা আমলে নিয়েছি। এর কিছু দিন পরে আবারো ওহাব  তাকে জীবন নাশের হুমকী দেয়া হয়েছে বলে আদালতে  আরো একটি মামলা করে জমির উপর ১৪৪ ধারা চাই। কিন্তু তদন্তে সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। জাহানারা বেগম আরো জানান, আমার পিতা মরহুম ফরজন আলির নামে রেকর্ডকৃত সম্পতি জালিয়াতির মাধ্যমে আমার ভাই তৈমুর রহমান তার নিজের নামে রের্কড করে নেয়ার ঐ সম্পত্তির  উপর  মামলা করার পর আদালত ওই জমির উপর সকল ধরণের গাছ না কাটার নির্দেশ দিয়ে গত ৩০ নভেম্বর নোটিশ জারি করলেও ওহাব তার দলবল নিয়ে গত ২১ ডিসেম্বর গাছ কাটতে শুরু করলে আমি প্রতিবাদ করায় ওহাব ও তার লোকজন আমাকে লাঞ্ছিত করে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি নিরূপায় হয়ে থানায় সংবাদ দিই। সংবাদের প্রেক্ষিতে ওসির নির্দেশে  থানার একজন পুলিশ অফিসার এসে গাছ কাটা বন্ধ করেন। কিন্তু দঃখজনক হলেও সত্য যে, তারাই টাকার জোরে গত ২৯ডিসেম্বর থানায় আমার তিন ছেলে, এক মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে আসামী করে মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে ৩০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১২টার এস.আই শ্যামল সহ কয়েকজন পুলিশ আমার বড় ছেলে বাদশাহ নামদা মাসুদ রানাকে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘর থেকে ধরে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে এস.আই শ্যামল জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল ইসলামা হাবিন জানান, আমি বিষয়টি আগে বুঝতে পারেনি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগী ভর্তির একটি ¯স্লীপ দিয়ে তারা অভিযোগ দেয়ায় তাদেরকে থানায় আনা হয়েছে। তবে, এ সমস্ত ঘটনা মীমাংসা করে নেয়া ভাল।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *