Sharing is caring!

20160326_084053শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ জেলার শিবগঞ্জে নানা কর্মসূচি মধ্যদিয়ে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিবগঞ্জ উপজেলা স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার স্কাউটদের প্যারেড ও কুচকাওয়াজ। সেখানে প্যারেড ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ইরতিজা আহসানের সভাপতিত্বে প্যারেড ও কুজকাওয়াজ আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আফাজ উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আতাউর রহমান, পৌর শাখা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র কারিবুল হক রাজিন, শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এম.এম ময়নুল ইসলাম, কানসাট ইউপি সভাপতি ও চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া উপজেলার সার্বিক আইন শৃক্সখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধ ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধণা প্রদান করেছে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ইরতিজা আহসানের সভাতিত্বে সংবর্ধণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহকারি কমিশনার(ভূমি) আফাজ উদ্দিন, ওসি (তদন্ত) চৌধুরী জোবায়ের আহাম্মদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বজলার রশিদ সোনু, উপজেলার আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আতাউর রহমান, পৌর শাখা আওয়াসীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র কারিবুল হক রাজিন, কানসাট ইউপি সভাপতি ও চেয়ারম্যান বেনাউল ইসলাম প্রমূখ। প্রধান অতিথি গোলাম রাব্বানী বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ অবিসংবাদিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গ্রোথিত করেছিল। যার ফলে আমরা পেয়েছি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিকাশ ঘটেছে বাঙালি জাতি সত্তার। তিনি ছিলেন বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও মুক্তির অগ্রনায়ক। তিনি যখন স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন কাজে আত্মনিয়োগ করেন, তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ষড়যন্তের মাধ্যমে তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও উন্নয়নের ধারাকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করে। বাংলাদেশের গণন্ত্রাতিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে স্তদ্ধ করে দেওয়া হয়। অবৈধ সামরিক সরকারগুলো বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করে। স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে পুনর্বাসিত করে। তারই আলোকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীন বাংলাদেশ ২০২১ সালকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে কাজ করছে। কিন্তু দেশের পরাজিত শক্তি দেশে উন্নয়নের কাজে বাঁধা দিতে মারিয়া হয়ে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা পূর্ন উজ্জিত করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *