Sharing is caring!

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গত ৪দিন ধরে পিডিবির গ্রাহকরা পাচ্ছেন না বিদ্যুৎ সরবরাহ। ফলে উপজেলার ১৪ হাজার পিডিবি গ্রাহক পড়েছেন চরম বেকায়দায়। প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে জাসদ (আম্বিয়া-প্রধান) উপজেলা শাখা। শুক্রবার বিকেলে শিবগঞ্জ ডাকবাংলো চত্বরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা জাসদ শাখার সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাসদ শাখার সদস্য মুকুল ইসলাম মৈদুল, সদস্য আকতার হামিদুজ্জামান বাদশা, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। লিখিত বক্তব্যে শিবগঞ্জ আবাসিক প্রকৌশলী আজমল হকের বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির কথা তুলে ধরেন। সেই সাথে আবাসিক প্রকৌশলী আজমুল হকের অবসারণের দাবি জানান। এছাড়া দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপ¶ের নিকট জোর দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। এব্যাপারে শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আবাসিক প্রকৌশলী আজমল হক জানান, গত বুধবার বিকল হয়ে যাওয়া পাওয়ার ট্রান্সফর্মারটি তেল শোধনের কাজ শেষ করে সন্ধ্যায় চালু করতে গেলে সেটি পুড়ে যায়। ফলে ৩টি পাওয়ার ট্রান্সফর্মার সম্পুর্ণভাবে বিকল হয়ে যায়। নতুন পাওয়ার ট্রান্সফর্মার ছাড়া শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হবে না। এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ অফিসে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। শিবগঞ্জ আবাসিক প্রকৌশলী আরও জানান, গত বুধবার রাতেই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ঢাকা অফিসে বিষয়টি জানানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ নতুন পাওয়ার ট্রান্সফর্মার শিবগঞ্জ এসে পৌঁচ্ছে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কিন্তু নতুন পাওয়ার ট্রান্সফর্মারটি বিদ্যুৎ অফিসের প্রধান ফটক থেকে সাব-স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে যেতে আরো ২ দিন (আগামী রোববার) লাগবে। কেননা প্রধান ফটক থেকে সাব-স্টেশন পর্যন্ত ট্রাক প্রবেশ করতে পারবে না। সে কারণে শিবগঞ্জ আবাসিক প্রকৌশলী আগামী সোমবার শিবগঞ্জ পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করার আশা ব্যক্ত করেছেন। গত বুধবার সকাল ৭টায় শিবগঞ্জের ৫ এমভিএ পাওয়ার ট্রান্সফর্মার বিকল হয়ে গেলে পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় টেকনিশিয়ানরা উক্ত পাওয়ার ট্রান্সফর্মারটি মেরামত করলে পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ¯^াভাবিক হয়। কিন্তু ঘন্টাখানেক পর আবারো বিকল হয়ে যায়। এরপর থেকে পৌর এলাকা ছাড়াও উপজেলার দুর্লভপুর, মনাকষা, বিনোদপুর ইউনিয়নের (পিডিবির নিয়ন্ত্রিত এলাকার) প্রায় ১৪ হাজার গ্রাহক অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে। এতে অচল হয়ে পড়ে হাসপাতাল, ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা। ¶ুদ্র ও মাঝারি উৎপাদন শিল্পসহ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কর্মচঞ্চলতা হারায়। এছাড়া অফিস ও শি¶া প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *