Sharing is caring!

শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থীতা পরিচয় জানান দিচ্ছে ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুন ও বিলবোর্ড। নামেই মাত্র শুভেচ্ছা। কিন্তু এসব ব্যানার-ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের ভিতরে লুকিয়ে আছে গুরুরহস্য। আর এই রহস্যের বিষয়টি কারো কাছে অজানা নয়। সবাই জানে এটি নামেই মাত্র শুভেচ্ছা। মূল উদ্দোশ্যটাই হলো নির্বাচনী কিংবা দলীয় প্রার্থীতা সমর্থন পাওয়ার আশা। উদ্দেশ্য যাই হোক, লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্যে চলছে প্রযোগিতার লড়াই। শিবগঞ্জ পৌরসভার প্রতিটি গ্রামে-গ্রামে, হাটে-বাজারে, চায়ের দোকানে ঝুলানো হয়েছে শত শত ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুন ও বিলবোর্ড। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন করার লক্ষ্যে সেই সব ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুন, বিলবোর্ড, লিপলেট, পোস্টার ও দেয়াল লেখন বৃহষ্পতিবার রাত ১২ টার মধ্যে সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তি স্ব-উদ্যোগে মুছে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করেন নির্বাচন কমিশনার। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার কায়সার মোহাম্মাদ জানান, নির্ধারিত সময়ের পরে কোন প্রার্থীর এ ধরণের প্রাচরণা বা শুভেচ্ছা কোন বস্তু দৃষ্টি গোচর হলে পৌরসভা (নির্বাচন আচারণ) বিধিমালা-২০১৫ এর পরপন্থী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। তিনি আরো বলেন, উক্ত বিধিমালা ৩১ বিধি অনুসারে কোন প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোন বিধান লক্সঘন করলে অনধিক ৬ মাসের কারাদন্ড অথবা ৫০ জাহার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডীয় হবেন। এছাড়া কোন রাজনৈতিক দল অথবা কোন প্রার্থীর পক্ষে কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পূর্ব সময়ে উক্ত বিধিমালা কোন বিধান লক্সঘন করলে অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দন্ডিত হবে। এছাড়া বিধি ৩২ অনুসারে এ ধরণের অপরাধের জন্য নির্বাচন কমিশন কোন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারেন। তাই সময়ের মধ্যে সে সব প্রচারণা ও শুভেচ্ছা বানীর ডিজিটাল ব্যানার-ফেস্টুন, বিলবোর্ড, লিপলেট, পোস্টার ও দেয়াল লেখন বৃহষ্পতিবার রাত ১২ টার মধ্যে সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তি স্ব-উদ্যোগে মুছে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *