Sharing is caring!

সকল পুষ্টি উপাদান সমন্বিতভাবে সুষম

পরিমানে গ্রহণ করার আহবান

উত্তম পুষ্টি হল খাদ্যের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান সমন্বিতভাবে সুষম পরিমানে গ্রহণ করা, যা মানবদেহের মৌলিক চাহিদা পূরন করে। একটি কর্মক্ষম জাতি গঠনে সুষম পুষ্টির ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের যথাযথ পুষ্টি গ্রহনের বিষয়টি নিশ্চিত করতেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দশ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা (২০১৬-২০২৫) বাস্তবায়নের অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে দেশব্যাপী জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালন করা হয়। এই বছর ২৩-২৯ এপ্রিল ২০১৯ ইং জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে বহুখাত, বহুপাক্ষিক এবং বহুস্তর ভিক্তিক অংশগ্রহনের মাধ্যমে পুষ্টিমান উন্নয়নের বিষয়টি এক ভিন্নমাত্রা লাভ করেছে। মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের অন্যতম উপায় হলো তার পুষ্টি নিশ্চিত করা। মানব জীবন চক্রের সকল পর্যায়ে পুষ্টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় আনতে হবে। পুষ্টির অভাবে মাতৃগর্ভে শিশুর কাক্সিখত বৃদ্ধি ঘটে না, ফলে কম ওজনের শিশু জন্ম নেয়। পরবর্তীতে শিশু পুষ্টিহীন, খর্বতা ও কৃশতাসহ বহুবিধ সমস্যা নিয়ে বেড়ে ওঠে, যা তার মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে বিঘœ ঘটায় এবং তার উর্পাজন সক্ষমতা কমে যায়। কৈশোরকালীন সময়ে সঠিকভাবে বেড়ে উঠার ওপরেও রয়েছে পুষ্টির প্রভাব। সঠিক পুষ্টি মাতৃস্বাস্থ্যের সুরক্ষা ও বয়স্কদের বিভিন্ন সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করে। তাই প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান সমšি^তভাবে সুষম পরিমানে গ্রহণ করার আহবান জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. এস.এফ.এম খায়রুল আতাতুর্ক।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *