Sharing is caring!

সচেতনতার মাধ্যমেই ফিরে আসা

যায় অশ্লীলতার অন্ধকার জগৎ থেকে

অশ্লীলভিডিওদেখাএকজনব্যক্তিরজন্যমারাত্মকনেশা।এইঅশ্লীলভিডিওদেখারনেশাএকজনমানুষকেতারসামাজিককর্মকাণ্ডথেকেসংক্রিয়ভাবেদূরেনিয়েআসে।

তবেএইনেশাথেকেমুক্তিপাওয়াঅবশ্যইসম্ভব।সবচেয়েবড়বিষয়হলো  বিধি নিষেধমেনেচলা।ধর্মীয়নীতিমেনেচললেএইভয়াবহতাথেকেঅনেকটাইমুক্তিপাওয়াসম্ভব।এছাড়াওস্মার্টফোনেবিভিন্নঅশ্লীলসাইটগুলোব্লককরেরাখলেএকজনমানুষএইসমস্যাথেকেদূরেচলেআসতেপারে।এছাড়াওআরোঅনেকউপায়আছেএইভয়াবহতাথেকেফিরেআসার।

কিছু সচেতনতা অবলম্বন করলে এই নেশা থেকে বের হওয়া যায়।

১. সচেতনতাইপ্রথমধাপ: এইআসক্তিদূরকরারজন্যএবিষয়েযথেষ্টসচেতনতাইহতেপারেপ্রথমপদক্ষেপ।এরকুফলগুলোযদিঠিকমতউপলব্ধিকরেন, তাহলেসহজাতভাবেইএরপ্রতিআপনারচিন্তাধারায়একটিপরিবর্তনসূচিতহবে।আপনাকেউপলব্ধিকরতেহবে, এইআসক্তিএকটিমনো-সামাজিকব্যাধি।এরশারীরিকওমানসিককুফলঅনেক।স্নায়ুকেক্রমাগতউত্তেজিতকরারমাধ্যমেএটিআপনাররক্তচাপবৃদ্ধি, হৃদপিণ্ডেরস্বাভাবিকপ্রক্রিয়াকেক্ষতিগ্রস্তকরারপাশাপাশিহরমোনালডিজঅর্ডারঘটায়।এরজন্যআপনাকেমাত্রাতিরিক্তমাস্টারবেশনকরতেহয়, যাপরবর্তীতেআপনারব্যাপকস্বাস্থ্যগতঝুঁকিরকারণহয়েদাঁড়াবে।সেইসাথেনৈতিকঅবক্ষয়ওমানসিকভারসাম্যহীনতারবিষয়টাকেওমাথায়রাখুন।আপনারস্বাভাবিকজীবনওসামাজিকসম্পর্কসুরক্ষারতাগিদেতাইএরবিরুদ্ধেসচেতনহোনএখনই।

২. সরিয়েফেলুনঅশ্লীলভিডিওদেখারবিভিন্নউপাদান: সেক্সুয়ালযেসবকন্টেন্টআপনারপিসিরহার্ডড্রাইভবাফোনেসংরক্ষিতআছেতামুছেফেলুনদৃড়চিত্তে।নইলেহাতেরকাছেথাকাসহজলভ্যউপাদানেরআকর্ষণেআবারওআপনিসেইজগতেফিরেযেতেপারেন।সেইসাথেইন্টারনেটেরসেইসবওয়েবসাইটেরকাছথেকেদূরেথাকারজন্যব্যবহারকরতেপারেনপ্রোটেকশনালসফটওয়্যার।

৩. গড়ে তুলুন সুস্থ বিনোদনের অভ্যাস: সাধারণত একাকীত্ব, বিষণ্ণতা, হতাশার চাপ থেকে মুক্তির জন্যই মানুষ অসুস্থ বিনোদনের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। সঙ্গ দোষ কিংবা মাদকাসক্তিও এসবের উল্লেখযোগ্য কারণ। তাই সুস্থ বিনোদনের অভ্যাস গঠন করা অপরিহার্য। এতে আপনি এই আসক্তি তো বটেই মাদকাসক্তি থেকেও বেরিয়ে আসতে পারবেন। ভালো গান শোনা, ভালো মুভি দেখা, ভালো বই পড়া হতে পারে সম্ভাব্য ভালো অপশন। এছাড়া প্রকৃতির সান্নিধ্যে যেতে পারেন কিছু সময়ের জন্য। হাঁটা কিংবা জগিং করার মত এক্সারসাইজগুলোও আপনাকে দেবে বাড়তি অনুপ্রেরণা। বন্ধুদের সাথে ভালো আড্ডাও হতে পারে আপনার ইতিবাচক পরিবর্তনের উৎস।

৪. অনুশীলন করুন ধর্মীয় মূল্যবোধ: আপনি যে ধর্মেরই অনুসারী হোন না কেন, তার মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষা আপনাকে এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে অবশ্যই সহায়তা করবে। নামাজ বা প্রার্থনা আপনাকে দেবে আত্মিক পরিশুদ্ধি। এছাড়া ধর্মগ্রন্থ পাঠ করতে পারেন নিজের জীবনকে আরও সুসংহত করার তাগিদে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের উপদেশ এবং জীবনী থেকেও শিখতে পারবেন, কী করে পাপাসক্তি থেকে প্রত্যাবর্তন করে নির্মল জীবন শুরু করা যায়।

আর এরই মাধ্যমে একজন মানুষ সহজেই এই অশ্লীলতার ভয়াবহতা থেকে বের হয়ে আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *