Sharing is caring!

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় হত্যা ও বিএসএফের নির্যাতন বন্ধ এবং অবৈধভাবে অন্য দেশে প্রবেশ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন জেলার বিশিষ্ট জনেরা। সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে কোন দেশে প্রবেশ অবশ্যই অপরাধ। কিন্তু এই অপরাধের জন্য আইন রয়েছে। স্ব¯স্ব দেশের প্রচলিত আইনে অবৈধ প্রবেশকারীর বিচার হবে। একজন মানুষকে পিটিয়ে বা গুলি করে হত্যা করা কোনোভাবেই শোভণীয় নয়। একজন মানুষকে শারিরীকভাবে অমানষিক নির্যাতন করা কোন সভ্য মানুষের কাজ নয়। প্রায়শই দু’দেশের আলোচনার টেবিলে কথা হচ্ছে, সীমান্ত হত্যা বা নির্যাতন বন্ধের বিষয়ে। কিন্তু বাস্তবে সেটা হচ্ছে না। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে। কোন দেশের নাগরিক অন্য কোন দেশে প্রবেশ করতে চাইলে অবশ্যই বৈধভাবে অনুমতি নিতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে অবশ্যই সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ বা মনোভাব থাকা প্রয়োজন। অবৈধভাবে যেন কোন বাংলাদেশী ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিংনগর সীমান্তে বিএসএফ এর নির্যাতনের শিকার ১ বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুবরণকারী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর পন্ডিতপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে আব্দুল শরীফ (৪৫)। শনিবার গভীর রাতে শরিফ মারা যায়। শনিবার ভোরে চোরাইপথে ভারত থেকে গরু আনার সময় ভারতের বিএসএফের পিটুনিতে মারাত্মক আহত হয়ে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে আসে। শনিবার ভোর ৫টার দিকে শিংনগর বিওপির অধীনস্ত ১৭১নং পিলার এলাকায় এঘটনা ঘটে। সে ১৪ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শনিবার রাতে রাজশাহী মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। একই এলাকা দিয়ে চোরইপথে গরু নিয়ে আসার সময় ভারতের দৌলতপুর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা টের পেলে তারাপুর পন্ডিত পাড়া গ্রামের আইনুল হকের ছেলে ওহিদুর রহমান(৪৫)কে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে সে আহত অবস্থায় পালিয়ে আসে। ওহিদুর রহমান গোপনে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *