Sharing is caring!

20160726_145539শিবগঞ্জ প্রতিনিধি \ বিষয় পরিবর্তন করতে চাওয়ায় শিবগঞ্জের হুমায়ূন রেজা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের হাতে পিটুনী খেয়ে দুই শিক্ষার্থী এক সপ্তাহ যাবত চিকিৎসাধীন থাকলেও এর কোন প্রতিকার হয়নি বরং প্রধান শিক্ষক ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিয়ে বিদ্যালয় থেকে বিদায় করার হুমকী দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পিটুনী খাওয়া  শিক্ষর্থীরা হলো, নবম শ্রেণীর ছাত্র ও রানীনগর গ্রামের সেনাসদস্য সফিকুল ইসলামের ছেলে মাসুম (১৪)ও সাতরশিয়া গ্রামের প্রদর্শক শওকাত আলির ছেলে শাহাদাত আলি (১৪)। আহত শিক্ষর্থী মাসুম ও শাহাদাত আলি জানায়, গত ২১ জুলাই পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদিরের কাছে বিষয় পবিবর্তনের জন্য মৌখিক আবেদন করা মাত্র রাগান্নিত হয়ে দুইজনকে বেয়াদব বলে প্রথমে গালিগালাজ ও  লাঠি দিয়ে পিটুনী দেয়। শিক্ষার্থীরা আরো জানায়, গত এপ্রিল মাসে রেজিষ্ট্রেশনের সময় উচ্চতর গণিত নেয়ার পরে তারা জানতে পারে যে উচ্চতর গণিতের পরিবর্তে কৃষি হয়েছে। এব্যাপারে তারা দুই মাসে আগে দেখা করলে খরচ বাবদ ১’শ টাকা ও ছবি চাইলে সে টাকা ও ছবি প্রতিষ্ঠানে জমা দেয়া হয়। তারপরও বিষয় সংশোধন না হওয়ায় ২১জুলাই আবারো দেখা করলে তিনি এ পিটুনী দেয়। অভিভাবক শওকাত আলির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ঘটনার পর আমি প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদিরের সাথে দেখা করার জন্য বিদ্যালয়ে কয়েকদিন ঘুরাঘুরি করেও দেখা পায়নি। অন্যদিকে সফিকুল ইসলাম জানান, পিটুনীর পর আমার ছেলে ও তার বন্ধু ৭ দিন যাবত অসুস্থ হয়ে আছে। তিনি আরো জানান, এ ব্যাপারে আমরা ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও কয়েকজনের শিক্ষকের সাথে যোগযোগ করলে তারা ব্যবস্থা নিবেন বললেও এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বেয়াদবী করেছে তাই মেরেছি। কারন আমি অত্র বিদ্যালয়ের সর্বেসর্বা। তিনি আরো জানান সমাধানের কিছু নেই। তারপরও যদি বাড়াবাড়ি করে তাহলে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিয়ে বিদায় করে দিবো। তবে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মির্জা শাহাদাত হোসেন খুররম জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ঢাকা থেকে ফিরে তিনি ব্যবস্থা নেবেন। উলে¬খ্য, সম্প্রতি ঐ বিদ্যালয়ের আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষকের এর আগেও শিক্ষার্থীদের পেটানোর অভিযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *