Sharing is caring!

১১ বছর প্রতিদিন স্কুলে হাজিরায় জেলার আমানুল্লাহ’র

♦ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি 

১১ বছরের স্কুল জীবনে একদিনও স্কুল হাজিরা বাদ দেয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফুলকুড়ি ইসলামিক একাডেমীর ছাত্র আমানুল্লাহ। জেলা নজির গড়ে তুলেছে সে। আমানুল্লাহ এবছরের (২০২০) এস.এস.সি পরীক্ষার্থী। কিশোর বয়সে চপলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল পালানোর ঘটনা খুবই সাধারণ। খুব কম শিক্ষার্থীই আছে যে স্কুল পালাইনি বা কোনো অজুহাতে স্কুলে অনুপস্থিত থাকেনি। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফুলকুঁড়ি ইসলামিক একাডেমীতে ঘটেছে এই অসম্ভব ঘটনা। স্কুলের ছাত্র আমানুল্লাহ গত ১১ বছরের একদিনও স্কুল কামাই না করে এক অসম্ভব কে সম্ভবে পরিনত করেছে। বর্তমানে ১৬ বছর বয়সী এ ছাত্র, তার ১১ বছরের স্কুল জীবনে একদিনও স্কুল কামাই দেয়নি। সে এবার এস এস সি ২০২০ পরীক্ষার্থী। রোদ কিংবা ঝড়, বৃষ্টি শীত, গ্রীষ্ম-বর্ষা প্রতিনিই এসেছে স্কুলে। আর এতে খুশি হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকও আমানুল্লাহ কে জড়িয়ে ধরে উৎসাহ জোগালেন, তাঁর হাতে তুলে দিলেন একটি ল্যাপটপ উপহার। আমানুল্লার শিক্ষকরা জানান, সে গত ১১ বছরে একদিনও অনুপস্থিত ছিল না। ছোট থেকেই লেখাপড়ার প্রতি খুবই মনোযোগী সে। এব্যাপারে আমানুল্লাহ জানায়, সে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বা পরিকল্পিতভাবে এটা করেনি। প্রথম থেকেই স্কুলে যেতে ভাল লাগত, তাই নিয়মিত যাওয়া। বড় হয়ে তিনি একজন আদর্শ ডাক্তার হয়ে সবার সেবা করতে চায়। উল্লেখ্য, একাডেমীর বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নুরুল হক বিষয়টি জানতে পেরে তার মা বাবাকে দেখতে চান এবং তার মা-বাবার সামনে তিনি তাকে একটি ল্যাপটপ দেওয়ার ঘোষনা দেন। তারপর বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সাথে তারা স্বপরিবারে দেখা করলে জেলা প্রশাসক তাকে একটি ল্যাপটপ দেন।

আপনার মতামত লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *