বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৭

প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর-এবছর কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় সকল পরীক্ষার্থী ফেল

বিশেষ (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি ॥ ১২ আগস্ট ২০২৬ ০৫:২৮ অপরাহ্ন শিক্ষা ও সাহিত্য
বিশেষ (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি ॥ ১২ আগস্ট ২০২৬ ০৫:২৮ অপরাহ্ন
প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর-এবছর কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় সকল পরীক্ষার্থী ফেল


চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় এ বছর দাখিল পরীক্ষায় ২৮ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে। মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছরে প্রথমবারের মতো এ ফল বিপর্যয় হয়েছে। ১৬ জন শিক্ষকের মাদ্রাসায় ৩০ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস করতে না পারায় অভিভাবক ও স্থানীয়রা হতাশা প্রকাশ করেছেন। সোমবার (১০ আগষ্ট) মাদ্রাসা বোর্ড দাখিল পরীক্ষা ফলাফল ঘোষণা করে। অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, এ মাদ্রাসার ২৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। সবাই ফেল করেছে, বিষয়টি আশ্চর্যজনক। একজন শিক্ষকের ভাগে দুইজনেরও কম শিক্ষার্থীর দায়িত্ব পড়ে। সেখানেও সবাই ফেল করে কিভাবে? শিক্ষকরা মাদ্রাসায় গুরুত্ব দিয়ে পাঠদান করান না। তাদের মান তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বেতন ভাতা নিয়মিত পাওয়ার পরেও এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়ার মত নয়। প্রয়োজনে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হোক। কুড়ালগাছি দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা আব্দুল সামাদ জানান, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছরে ইতিহাসে এ বারই প্রথম এ মাদ্রাসায় ফল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসার ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে ২০ জন ছাত্র ও ৮ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। ২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। তিনি আরো জানান, মাদ্রাসার ২৮ জন পরীক্ষার্থী একসাথে ফেল করার বিষয়ে খাতা চ্যালেঞ্জ করা হবে। ফেল করার বিষয়টি আমরা কোনভাবে মেনে নিতে পারছি না। পড়াশোনার গুণগত মান বৃদ্ধি ও শিক্ষার্থীদের পাঠদানের বিষয়ে বেশি বেশি কাজ করতে হবে। এ ধরনের ফল মেনে নেয়ার মত নয়। বিষয়টি নিয়ে আমরাও বেশ চিন্তিত। উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটিতে ১৬ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।