নিয়ামতপুরে জোরপূর্বক পুকুর থেকে মাছ লুটের অভিযোগ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে সরকারি লীজকৃত পুকুর থেকে জোরপূর্বক মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নিয়ামতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে নিয়ামতপুর উপজেলার রসুলপুর (হঠাৎপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর হঠাৎপাড়া মৌজায় খাস খতিয়ানের ৮৪৩ দাগের ৪৪ শতাংশ জমিতে অবস্থিত পুকুর থেকে জোরপূর্বক মাছ লুট করেছে প্রতিপক্ষরা। আফাজ উদ্দীন, আব্দুল আলিম, মেহেরাব আলী, মাসুম, সামাউল, রহিম, সামাদ আলী, আনারুল ইসলাম, মিলন, মমিন, রুহুল, রবিউল, মহিদুল, মান্নান, বাতেন, বজলু, মনিরুল সহ প্রতিপক্ষের আরও অনেকে পুকুরে অনধিকার প্রবেশ করে জোরপূর্বক প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। মালিকপক্ষ বাঁধা প্রদান করলে ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পুকুরে পাশে কলা বাগান কেটে সাবাড় করে দেয় তারা। ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ করে চেক কেঁটে পুকুর ভোগদখল করে খাচ্ছি। পুকুরে মাছ চাষ করে আমি জীবিকা নির্বাহ করি। দীর্ঘদিন যাবত অসৎ উদ্দেশ্যে আমার লীজকৃত পুকুর জবরদখল পায়তারা করছে প্রতিপক্ষরা। আজ তারা পুকুর থেকে মাছ লুট করেই ক্ষান্ত হয়নি, জমিতে থাকা কলা গাছ কেঁটে ফেলেছে। বসত বাড়ির এক পাশে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে। প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন করছি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হউক। প্রতিপক্ষ আফাজ উদ্দীনের সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারি পুকুরটি হালনাগাদ চেক কেঁটে আমরা লীজ নিয়েছি। আমাদের লীজকৃত পুকুর থেকে আমরা মাছ মেরেছি। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।