রবিবার, আগস্ট ১৭, ২০২৭

ভোলাহাটে র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার আসামি ইলিয়াস আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০৭:২৬ অপরাহ্ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ
নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০৭:২৬ অপরাহ্ন
ভোলাহাটে র‌্যাবের অভিযানে হত্যা মামলার আসামি ইলিয়াস আটক


চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে আলোচিত আসাদুল হক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. ইলিয়াসকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। র‌্যাব এক প্রেসনোটে জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত আড়াই টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানার বাঙ্গাবাড়ী বেলনাথপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় মো. রফিকের বাড়ি থেকে হত্যা মামলার পলাতক এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভুজা বটতলা এলাকার মৃত আরশাদ আলীর ছেলে। গ্রেপ্তার ইলিয়াসকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলাহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। মামলার বরাতে র‌্যাব জানায়, গত ১৮ জুন ঢাকার মিরপুর-১২ (কালসী) এলাকায় আসাদুল হকের ছোট ছেলে আব্দুর রশিদকে কয়েকজন ব্যক্তি মারধর করে আহত করেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে আসাদুল হকের পরিবারের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরদিন ১৯ জুন সকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে ভোলাহাটের মুশরীভুজা বটতলা এলাকায় আসাদুল হক ও তার স্বজনদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দুটি বাড়ির নয়টি ঘর, আসবাবপত্র ও একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সময় আসাদুল হক, তার ভাই আশরাফুল হক, নজরুল, ফুজলু, ছেলে আশিকসহ কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র, রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুরুতর আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে অবস্থার অবনতি হলে আসাদুল হককে পুনরায় ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিরিয়ে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ১৯ জুন দুপুর সাড়ে ২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত আসাদুল হকের স্ত্রী মোছা. আজিনুর বেগম বাদী হয়ে ৪৯ জন এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনের বিরুদ্ধে ভোলাহাট থানায় মামলা করেন। মামলাটি ভোলাহাট থানার মামলা নম্বর-১৭, তারিখ ২০ জুন ২০২৬। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।