সাঘাটায় ইটভাটার পরিত্যক্ত স্থানে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ॥ গ্রেপ্তার ২
গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলায় ইটভাটার পরিত্যক্ত একটি নির্জন স্থানে এক সন্তানের জননী এক নারী (২১) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সৈকত (২৮) ও মুস্তাকিম (২০) নামে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর শনিবার রাতে উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের হেলেঞ্চা এলাকায় একটি ইটভাটার পরিত্যক্ত স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাঘাটা থানা রোববার মামলা হয়েছে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার সুমনা উপজেলার টেপা পদুমশহর গ্রামের সিদ্দিক ব্যাপারীর মেয়ে। ১০ অক্টোবর তিনি গোবিন্দগঞ্জে তাঁর বোনের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে বোনারপাড়ায় পৌঁছালে তাঁর বোনজামাইয়ের পরিচিত বোনারপাড়া হেলেঞ্চা গ্রামের আলমের ছেলে সৈকত (২৮)-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। সৈকত তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে। পরে একটি ভ্যানে করে তাঁকে হেলেঞ্চা এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় উল্লাসোনাতলা গ্রামের বাদলের ছেলে মুস্তাকিম (২০) সঙ্গে ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ওই পরিত্যক্ত ইটভাটার নির্জন স্থানে নিয়ে দুই যুবক তাঁকে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁরা ওই নারীকে উদ্ধার করেন এবং ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে তাঁদের বোনারপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের মাধ্যমে সাঘাটা থানায় নেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত দুই যুবককে সাঘাটা থানায় নেওয়া হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়, মামলার নম্বর-০৬, তারিখ-১১ অক্টোবর/২৬। সাঘাটা থানার ওসি দুরুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।